সুরমা নদী
সিলেটে ঈদের আগের দিন থেকে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। তবে জেলার কোনো নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়নি। শেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে। ভারী বর্ষণে শহরে তৈরি সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন সিলেটে বেড়াতে আসা পর্যটকরা।
টানা বৃষ্টিতে সুরমা, কুশিয়ারা, সারিসহ সিলেটের প্রায় সব প্রধান নদীতে বেড়েছে পানির উচ্চতা। সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে প্রতিকূল আবাহাওয়ার কারণে এবার ঈদের ছুটিতে সিলেটে পর্যটকের ঢল দেখা যায়নি। যারা এসেছিলেন তারাও হতাশ হয়েছেন বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায়। অনেক পর্যটন স্পটও ছিল জলমগ্ন।
বৃষ্টির দাপটে এবার সিলেটের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি। সাদা পাথর, জাফলংয়ের মতো পর্যটনকেন্দ্রে বৃষ্টিতে ভিজেও অনেক পর্যটককে আনন্দ করতে দেখা যায়। তবে ঈদের ছুটিতে প্রত্যাশিত পর্যটক সংখ্যার কাছে তা ছিল সামান্যই।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেট কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজিব হোসেন জানান, আষাঢ়ের মাঝ সময়ে দেশের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হচ্ছে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমবে। তবে সপ্তাহের শেষ দিকে ফের ভারি বর্ষণের আভাস রয়েছে।
সিলেট পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাতের ফলে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। তবে কোনো নদ-নদীর পানি রবিবার বেলা তিনটা পর্যন্ত বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




