সিলেটে ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৯ AM

সিলেটে ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত

মাহমুদ খান, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০২/০৭/২০২৩ ০৬:২২:০৮ AM

সিলেটে ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত

ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা


সিলেটে ৩ ঘণ্টায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। ০২ জুলাই রোববার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটিকে চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিলেট সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজীব হোসাইন জানান, সিলেটে এটিই চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী ৪৮ ঘণ্টা এবং পরবর্তী ৫ দিন সিলেটে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, সিলেটে কয়েক দিন ধরে দিনের বেলা ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে সকালের দিকে নদ-নদীর পানি কম থাকছে, আবার সন্ধ্যার দিকে গিয়ে বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে সিলেটের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বড় বন্যার আশঙ্কা নেই।

পাউবো সূত্রে আরও জানা যায়, গত শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিক থেকে আজ রোববার বেলা তিনটায় নদ-নদীর পানিপ্রবাহের উচ্চতা কিছুটা কমেছে। তবে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর নদ-নদীর পানিপ্রবাহের উচ্চতা বেড়েছে। পাউবি সূত্রে জানা যায়, সুরমা নদীর কাইনাঘাট পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। সেখানে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১২ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার। রোববার বেলা ৩টায় সে পয়েন্টে কিছুটা কমে ১১ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদীর সিলেট পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ সেন্টিমিটার। সেখানে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ৯ দশমিক ৯৪ সেন্টিমিটার। রোববার বেলা ৩টায় সে পয়েন্টে পানি ৯ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে।

তবে কুশিয়ারা নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বেড়েছে। শেওলা পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৩ দশমিক শূন্য ৫ সেন্টিমিটার। সে পয়েন্টে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ছিল ১০ দশমিক ৬৭ সেন্টিমিটার। রোববার বেলা ৩টায় সে পয়েন্টে পানি ১০ দশমিক ৮১ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় সে পয়েন্টে পানি ৯ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। রোববার বেলা তিনটায় নদীর সে পয়েন্টে পানি এক সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

ধলাই নদের ইসলামপুর পয়েন্টে পানি শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার তুলনায় বেড়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ৯ দশমিক ৮৪ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হলেও রোববার বেলা তিনটায় সে পয়েন্টে পানি ১০ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমেদ বলেন, কয়েক দিন ধরে দিনের বেলায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আবার রাতের দিকে বৃষ্টি হচ্ছে না। এর ফলে সারা দিনের বৃষ্টিতে সন্ধ্যার দিকে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। রাতে বৃষ্টি না হওয়ায় কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত দেখা যাচ্ছে। এর ফলে সীমান্ত এলাকার নদ-নদীতে পানি বাড়ছে। এ অবস্থায় সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বড় ধরনের বন্যার সম্ভাবনা কম। 

জৈন্তাবার্তা/এমকে



শীর্ষ সংবাদ:

গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের চেহারা পাল্টে দিতে চাই' - এমপি এমরান চৌধুরী
দেশের অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির
ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে একের পর এক জটিলতা
বিদ্যুতের ভো'গান্তিতে জগন্নাথপুরবাসী
সাদাপাথরে ১০ ঘণ্টা পর মিলল পর্যটকের ম'রদেহ
জৈন্তাপুরে ভাইরাল ভিডিও: নিজপাট ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘিরে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
জাতীয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই, এমপি তাহসিনা রুশদী লুনা
জকিগঞ্জে বিশ্বকাপের খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে যুবক খু'ন
জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর ভ'য়াবহতা বাড়ার শ'ঙ্কা
জগন্নাথপুরে জমে উঠেছে নৌকার হাট