বাবরের ফিফটিতে সিলেট সিক্সার্সকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে রংপুর রাইডার্স।
বিপিএলের দশম আসরে সিলেট সিক্সার্সকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে রংপুর রাইডার্স। চট্টগ্রামের বিপক্ষে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক বাবর আজমের অপরাজিত ফিফটিতে ৪ উইকেটে জিতেছে রংপুর।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২০ রানের মামুলি সংগ্রহ গড়ে সিলেট স্ট্রাইকার্স। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০ হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স।
এদিন ৫ ওভারে মাত্র ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদসীমায় পৌঁছে যায় রংপুর, বিপদের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেন দুশান হেমন্থ। সপ্তম ওভারে বল হাতে নিয়ে তুলে নেন তিন-তিনটা উইকেট। ৭ ওভারে মাত্র ৩৯ রানে ৬ উইকেট হারায় রংপুর রাইডার্স।
রনি তালুকদারকে নিয়ে এদিন ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন বাবর আজম। তবে ৭ ওভারে ছয়বার সঙ্গী পরিবর্তন হয় তার। ১২ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি, ৬ করে ফেরেন রনি। তিনে নেমেও শূন্যের গেরো কাটতে পারেননি ব্রেন্ডন কিং। আগের ম্যাচে গোল্ডেন ডাকের পর আজ ফেরেন ৫ বলে ০ রানে। অপুর শিকার তিনি।
মাঠে এসেই ছক্কা হাঁকিয়ে দারুণ কিছুর আভাস দিচ্ছিলেন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তবে তার দৌড় সে পর্যন্তই। ৭ বলে ৮ করে তানজিম সাকিবের শিকার হন তিনি। এরপরই শুরু হয় হেমন্থ শো। প্রথমে ৬.৩ ওভারে ফেরান শামিম পাটোয়ারীকে (২)।
পরের বল ঠেকিয়ে দিলেও পঞ্চম বলে মোহাম্মদ নাবি ফেরেন ০ রানে। আর শেষ বলে গোল্ডেন ডাক উপহার পান শেখ মেহেদী। এমতাবস্থায় যেন শঙ্কার কালো মেঘ ভর করে রংপুরের আকাশে।
তবে তখনো ভরসা হয়ে মাঠে ছিলেন বাবর। শেষ পর্যন্ত দলকে আর কোনো বিপদে না ফেলে ওমরজাইকে নিয়ে ম্যাচ জিতিয়েই ফেরেন তিনি। ১০ বল বাকি থাকতে নিশ্চিত করেন জয়। আজমতুল্লাহ ৩৫ বলে ৪৭ ও বাবর অপরাজিত থাকেন ৪৯ বলে ৫৬ রানে
এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে সিলেট। তবে তাদের শুরুটা ছিল বিদঘুটে। দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ মিথুনকে (৫) ফিরিয়ে যার শুরু করেন শেখ মেহেদী। তিনে নেমে বিস্ময়কর কিছু করতে পারেননি অধিনায়ক মাশরাফী, ফেরেন রান আউট হয়ে, ৬ রানে।
ইয়াসির আলি জোড়া চার হাঁকিয়ে আভাস দিচ্ছিলেন দারুণ কিছুর, তবে তার দৌড় থামে ৯ রানেই। পরের ওভারে মাত্র ১ রানে ফেরেন জাকির হাসান। তখনো অবশ্য আশার প্রদীপ হয়ে মাঠে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে দলীয় ৩৯ রানে ২৪ বলে ১৪ রান করে হাসান মুরাদের শিকার হন তিনি।
সিলেটের ইনিংস খানিকটা ভদ্রস্থ হয় ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে। বেনি হাওয়েল ও বেন কাটিং মিলে যোগ করেন ৫৮ বলে ৬৮ রান। কাটিং ৩১ বলে ৩১ রানে রিপন মণ্ডলের প্রথম বিপিএল উইকেটে পরিণত হন।
বেনি হাওয়েলকেও ফেরান এই তরুণ পেসার। ১৯.৩ ওভারে হাওয়েল ফেরেন ৩৬ বলে ৪৩ রানে। শেষ পর্যন্ত তাদের ব্যাটে ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১২০ রান তুলে সিলেট। রংপুরের হয়ে শেখ মেহেদী ও রিপন নেন দুটো করে উইকেট।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




