ছবি : সংগৃহিত
সিলেট ও জন্মস্থান সুনামগঞ্জের ক্রিকেটাঙ্গনে যেভাবে অপমানিত হয়েছেন, তা ভোলেননি এখনও। তাই সিলেটে বিপিএল খেলা নিয়েও খুব একটা রোমাঞ্চিত নন নাসুম আহমেদ। নিজ বিভাগের ক্রিকেট আর দর্শকদের নিয়ে কোনো কথাই বলতে চাননা তিনি। এদিকে, বাংলাদেশের স্পিনাররা বোলিং ভেরিয়েশন আনতে চেষ্টা করেন না, নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাকের এমন মন্তব্যে বিস্মিত নাসুম।
এক যুগ আগের কথা। বেশি সুযোগ সুবিধার আশায় জন্মস্থান সুনামগঞ্জের পরিবর্তে সিলেট জেলা দলে যোগ দিয়েছিলেন নাসুম আহমেদ। সেজন্য তাকে সুনামগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট কমিটি আজীবন নিষিদ্ধ করে। পরে সিলেট জেলা দলও মুখ ফিরিয়ে নেয়। তাই চাপা অভিমান বয়ে বেড়াচ্ছেন জাতীয় দলের এই বাঁ-হাতি স্পিনার।
সিলেটের ক্রিকেট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাই নাসুমের জবাব এমন, 'আমি আসলে এটা নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। সিলেটের ক্রিকেট নিয়ে বলার অনেক কিছুই আছে কিন্তু এখন বলতে চাচ্ছি না। '
বিপিএলে নাসুম খেলছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে। প্রথম ৪ ম্যাচ জয়ের পর সিলেট পর্বের শেষটায় হেরেছে তার দল। তারপরও অবশ্য রয়েছে শীর্ষে। নাসুমের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স যদিও খুব আহামরি নয়। ৫ ম্যাচে ৪ উইকেট। ইকোনমি প্রায় ৭।
দেশি স্পিনারদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নন নির্বাচকরা। বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনতে খুব একটা চেষ্টা করেন না, এমন অভিযোগও করেছেন আব্দুর রাজ্জাক। বিসিবি সিলেক্টরের এ কথায় আঁতে ঘা লেগেছে নাসুমের।
নাসুম বলেন, 'আমরা চেষ্টা করছি না এমন না। ভেরিয়েশন করছি। হয়তো বোঝা যাচ্ছেনা। আমরা করছি, কখনো আস্তে করছি তো কখনো জোরে। স্পিন করছি, কখনও আবার অন্যকিছু। অনেক কিছুই আসলে করছি হয়তো বোঝা যাচ্ছে না। আমরা আমাদের প্রসেসের মধ্যেই আছি।'
ব্যাটিং অ্যাবিলিটি বাড়াতেও নাকি কাজ করছেন নাসুম। এশিয়া কাপে ৪৪ রানের এক ইনিংস খেলে ভারতকে হারাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মজার ছলে মনে করিয়ে দেন সেটাও।
তিনি বলেন, 'ব্যাটিং এনজয় করি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সুযোগ আসেনি ব্যাটিং করার। যখন সুযোগ আসবে, ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব। চাইলেও ওপরে আসা সম্ভব না। ওই ৯-১০-এই খেলতে হবে।'
এবারের বিপিএলে ৫ ম্যাচের একটিতেও ব্যাটিংয়ে নামা দরকার হয়নি এই টেইল এন্ড ব্যাটারের।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




