হ্যারি টেক্টরের অর্ধ শতকে সিলেটের জয়।
টানা পাঁচ হারে লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়া সিলেট স্ট্রাইকার্স ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেষ দিকে এসে। টানা দুই জয়ে প্লে অফের আশা টিকে রইল তাদের।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চলতি বিপিএলে নিজেদের নবম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে সিলেট। হ্যারি টেক্টরের ৬১ রানের দারুণ ইনিংসে ভর করে ১৫৪ রান তাড়ায় নেমে ১৯ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।
রান তাড়ায় নেমে শুরুটা ধীরগতির ছিল সিলেটের। দলীয় ১৩ রানে সামিত প্যাটেলের উইকেট হারায় তারা। ২ ছক্কায় ৯ বলে ১৩ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ক্রিজে নেমে ওপেনার হ্যারি টেক্টরকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্তও। ১৬ বলে ১৮ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি। দুই বলের ব্যবধানে রানের খাতা না খোলার আগেই মার্ক দেয়ালের শিকার হন জাকির হাসান। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে লড়াইয়ে রাখেন আইরিশ অলরাউন্ডার টেক্টর।
মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে তাকে সঙ্গ দিয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন। ৩ চারের মারে ১৯ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হলেও ক্রিজ আঁকড়ে রাখেন টেক্টর। ৪৩ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ফিফটি তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৬১ রানে থামে তার ইনিংস। দলের জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ছিল ১২ বলে ১৯ রান। বাকি দায়িত্বটা দক্ষ হাতে সামলে নেন রায়ান বার্ল। ১৯তম ওভারে আক্রমণে আসা রুবেল হোসেনকে সমান ২টি চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে এনে দেন দারুণ এক জয়। ১৬ বলে ৩ ছক্কা ও ১ চারে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন বার্ল।
খুলনার পক্ষে দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১৯ রান খরচায় একাই ৩ উইকেট নেন মার্ক দেয়াল। উইকেটশূন্য রুবেল মাত্র ২ ওভার করে খরচ করেন ৩৬ রান।
এর আগে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে খুলনা। অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ৫৮ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষদিকে ক্রিজে নেমে হাবিবুর রহমান সোহান সমান ৩ ছক্কা ও চারের মারে ৩০ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এছাড়া ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ বলে ২৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন আফিফ হোসেন। তবে স্কোরকার্ডে তাদের যোগ করা রান দিয়ে সিলেটকে রুখতে পারেনি বোলাররা। সিলেটের পক্ষে ১টি করে উইকেট তুলে নেন সানজামুল ইসলাম, সামিত ও বেনি হাওয়েল।
এদিকে প্রথম পাঁচ ম্যাচে হারের পর শেষ চার ম্যাচে তিন জয় তুলে প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে সিলেট। যদিও প্লে অফে যেতে হলেও শেষ তিন ম্যাচে জয় ছাড়াও অন্য ম্যাচগুলোর ফলের ওপরও নির্ভর করতে হবে তাদের। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে অবস্থান তাদের। ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে খুলনা।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




