সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ঊর্মি রায় বলেছেন, যুবসমাজের সামাজিক অবক্ষয় রোধে শুধু প্রশাসন নয়, সচেতন সকল মহলকে ভূমিকা রাখতে হবে। সকল প্রকারের সামাজিক অপরাধ থেকে নিজ নিজ সন্তানদের মুক্ত রাখতে তিনি প্রত্যেক অভিভাবককে আরো সচেতন ও সতর্ক হওয়ার আহবান জানান।
ইউএনও ঊর্মি রায় বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে ব্যক্তি মালিকানাধীন টিলাসহ সকল প্রকারের টিলাকাটা বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও সচেতন সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স হলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির নিয়মিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মামুন খান, মোগলাবাজার থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান, দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রেসক্লাব, সিলেট’র সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ ফুলর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সালাহ উদ্দিন মিয়া, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রোমান মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনন্দা রাণী মোদক, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার বৃষ্টি, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন, উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার রীমা দাশ, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম মুসিক, এভিসিবি-৩-এর উপজেলা সমন্বয়কারী মোছা. মরিয়ম সুলতানা, উপজেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আব্দুল আজিজসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা।
সভায় সাংবাদিক প্রতিনিধিরা নাম্বার প্লেটবিহীন সিএনজিচালিত অবৈধ অটোরিকশাগুলোকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে নাম্বার প্লেট প্রদান করতে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, নাম্বার প্লেটবিহীন অটোরিকশার পাশাপাশি আরও কিছু অবৈধ যানবাহন সড়ক ব্যবহারসহ সরকারের অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও কার্যতঃ সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই এদের বৈধতা দিলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি অত্র অঞ্চলে মাদকের ক্রমাগত আগ্রাসন এবং চুরি-ছিনতাই-রাহাজানি অনেকটা কমে আসবে। যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক হবে।
সভায় সিলেট নগরীর যানজট দূরীকরণ এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে জেলা ও সিটি প্রশাসন কর্তৃক ভাসমান হকারদের পুনর্বাসন এবং প্রতিটি ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়, এই কার্যক্রমকে নগরীর দক্ষিণাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত করলে দক্ষিণ সুরমা উপজেলাবাসীও এ থেকে উপকৃত হবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




