ছবি:নিজস্ব
জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করছেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার এক প্রান্তিক পরিবারের সদস্য আলীম উদ্দিন। পেশায় একজন ড্রাইভার হলেও বর্তমানে তিনি মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
তিনি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১০নং বাদেপাশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ আমকোনা গ্রামের বাসিন্দা। দুই বছর আগে থেকেই শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। প্রথমে তিনি সাধারণ অসুস্থতা ভেবে চিকিৎসা নিতে থাকলেও সম্প্রতি চিকিৎসকের পরামর্শে জানা যায়,তার পায়ুপথে ক্যানসার ধরা পড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগটি বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং নিয়মিত চিকিৎসা শুরু করলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা, যা তার দরিদ্র পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা একেবারেই অসম্ভব।
আলীম উদ্দিনের সংসারটি এখন চরম দুঃসময় পার করছে। পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। নিজে অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিবারটির আয়ের একমাত্র উৎসও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তো দূরের কথা, দৈনন্দিন জীবনধারণই হয়ে উঠেছে কষ্টসাধ্য।
ছেলের এমন অসহায় অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বৃদ্ধা মা। চোখের জলে ভাসতে ভাসতে তিনি সমাজের বৃত্তবান ও দয়ালু মানুষদের কাছে ছেলেকে বাঁচানোর মানবিক আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর করুণ আহ্বান, আমার ছেলেটাকে বাঁচান। ও ছাড়া আমার আর কেউ নেই। একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার সন্তানটা নতুন করে বাঁচতে পারবে।
এলাকাবাসীও আলীম উদ্দিনের চিকিৎসার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, আলীম উদ্দিন পরিশ্রমী ও সহৃদয় মানুষ ছিলেন। জীবনে কাউকে কখনো কষ্ট দেননি। এখন সমাজের মানুষের উচিত তার পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার পরিচয় দেওয়া।
যারা সহযোগিতা করতে চান, তারা নিচের বিকাশ নম্বরে সাহায্য পাঠাতে পারেন: বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৩২০৮০৫৪৬৩
একজন অসহায় মানুষের জীবন বাঁচাতে সকলের সামান্য সহযোগিতা হতে পারে অমূল্য সহায়। সমাজের বৃত্তবান, প্রবাসী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সকল মানবিক হৃদয়ের মানুষের প্রতি পরিবারের পক্ষ থেকে সাহায্যের হাত বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।মানবতার টানে এগিয়ে আসুন, বাঁচিয়ে দিন একজন ক্যানসার আক্রান্ত ড্রাইভার, ফিরিয়ে দিন এক বৃদ্ধা মায়ের মুখে হাসি।
জৈন্তাবার্তা / সুলতানা




