ছবি:সংগৃহীত
সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় নগরের কবি নজরুল অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী বেদিতে কবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। এ সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ, জেলা শিল্পকলা একাডেমী সিলেট, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেট, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, সিলেট ললিতকলা একাডেমী, গীতবিতান বাংলাদেশ, কথাকলি সিলেট, নৃত্যশৈলী, শ্রুতি সিলেট, ছন্দ নৃত্যালয়, জাসাস সিলেট জেলা, দ্বৈতস্বর সিলেট, সিলেট আর্টস কলেজ ও পাঠশালা সিলেটসহ বিভিন্ন সংগঠন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছন্দ নৃত্যালয়-এর শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর উদ্বোধনী নৃত্য দর্শকদের মুগ্ধ করে। পরে নজরুলসংগীত, আবৃত্তি ও আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শামসুল বাসিত শেরো। সমাপনী ঘোষণা করেন আমিরুল ইসলাম বাবু। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নীলাঞ্জন দাস টুকু। বক্তারা বলেন, বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক নজরুল আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তারা সিলেটে কবির আগমনের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বৃহৎ পরিসরে কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। আয়োজকেরা জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা, সাম্য ও মানবতার বাণী পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও পবিত্র ঈদুল আজহার পর দিনব্যাপী নজরুল জন্মোৎসব আয়োজন করা হবে।‘বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল’ আবহে সিলেটে নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়েছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সিলেটে শ্রদ্ধা নিবেদন, সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজন করেছে সিলেট নজরুল পরিষদ। বৈরী আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী ও সাহিত্যপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




