ছবি: নিজস্ব
নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো থেকে হকার উচ্ছেদ করা হলেও সিএনজি ও লেগুনা চালকদের সড়ক দখল না করে যাত্রী উঠানো ও নামাতে সর্তক করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম।
রোববার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জিন্দাবাজার এলাকায় হকার উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান তিনি।
এসময় ডিসি বলেন, ‘নগরীর যানযট মুক্ত করতেই আমরা মূলত হকারদের উচ্ছেদ করেছি এখন রাস্তাঘাট দেখতে সুন্দর লাগতেছে তবে এই হকার উচ্ছেদের সুবিধায় যদি সিএনজি ও লেগুনা চালক যদি সড়ক দখল করে আবারও নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টি করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তাদের জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ড রয়েছে সেখানেই তারা যাত্রী তুলবেন এবং নামাবেন।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।
এদিকে, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মেনে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও ফুটপাত ছেড়ে দিয়েছেন হকাররা। রোববার নগরীর প্রধান সড়কগুলোতে হকারদের দেখা মিলেনি। দখলমুক্ত ছিল সড়ক ও ফুটপাত। ফলে যানজটও কমে গেছে অনেকটা। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। এই অবস্থা অব্যাহত রাখার দাবি জানেয়েছেন তারা।
দুপুরে নগরীর প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা জিন্দাবাজার, লামাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, বন্দরবাজার ও তালতলা এলাকায় ফুটপাত ও সড়কে হকারদের দেখা মিলেন। তবে এসব এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হেঁটে হেঁটে এসব এলাকায় টহল দিয়েছেন। সন্ধ্যার পর নগরের জিন্দাবাজার এলাকা পরির্দশন করেন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী।
সিলেট মেট্রেপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, রোববার নগরীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এতে সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংশ নেন। তবে তার আগেই হকাররা সড়ক ও ফুটপাত ছেড়ে চলে যান।
এর আগে, গতকাল শনিবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোববার সকাল থেকে নগরীর কোনো সড়ক বা ফুটপাতে হকার বসতে দেওয়া হবে না। এ নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, হকারদের পুণবার্সনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে লালদিঘির পড়ের মাঠ। তবে সড়ক ছাড়লেও রোববার এই মাঠে সামান্য সংখ্যক হকারদের দেখা গেছে। মাঠের বেশিরভাগ জায়গাই ফাঁকা রয়েছে। কয়েকজন দোকান প্রস্তুত করতে দেখা গেছে।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




