বেকারত্ব মোকাবিলায় সরকার নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে
রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১০ AM

সংসদে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি

বেকারত্ব মোকাবিলায় সরকার নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩/০৪/২০২৬ ১২:৫২:২৬ AM

বেকারত্ব মোকাবিলায় সরকার নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের  পরিকল্পনা নিয়েছে

ছবি:সংগৃহীত


জাতীয় সংসদে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি জানিয়েছেন, দেশে বেকারত্ব মোকাবিলায় সরকার নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সংসদে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর অধীনে দেশজুড়ে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, অব্যবহৃত সরকারি জমির ব্যবহার এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির অব্যবহৃত জমিতে ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ (ইউএফ-৮৫) প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেডে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন টিএসপি সার কারখানা স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

এছাড়া খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস ও খুলনা হার্ডবোর্ড মিলসের প্রাঙ্গণে ‘স্টার্চ ফ্যাক্টরি ও অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই) কমপ্লেক্স’ স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যার সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ডিপিপি ইতোমধ্যে প্রস্তুত।

মন্ত্রী আরও বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিলস এলাকায় পূর্ণাঙ্গ কাগজকল স্থাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন কেমিক্যাল প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ক্লোর-অ্যালকালি ও ক্লোরিনভিত্তিক শিল্প এবং বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারি ওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেডে আধুনিক কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি জানান, ভোলা জেলায় নতুন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আশুগঞ্জে অব্যবহৃত জমিতে আধুনিক গ্লাস কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিসিক সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বিসিক সরাসরি শিল্প স্থাপন না করে শিল্পনগরী ও পার্ক গড়ে তোলে, যেখানে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে দেশে ৮৩টি বিসিক শিল্পনগরী ও পার্কে ৬ হাজার ২২৩টি শিল্প ইউনিট চালু রয়েছে।

তিনি আরও জানান, কাঁচামালের প্রাপ্যতা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করে নতুন শিল্পনগরী ও পার্ক স্থাপন করা হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ