শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলার ৫ম দিনে জমজমাট আবৃত্তি প্রতিযোগিতা
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৮ PM

শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলার ৫ম দিনে জমজমাট আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০/০৪/২০২৬ ১১:৫৩:০৯ PM

শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলার ৫ম দিনে জমজমাট আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

ছবি:সংগৃহীত


সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার মিলনমেলায় মুখর হয়ে উঠেছে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। কমল সাহিত্য পরিষদ সিলেটের আয়োজনে চলমান শহীদ জিয়া ২য় গ্রন্থমেলার পঞ্চম দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাণবন্ত আবৃত্তি প্রতিযোগিতা।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় বইমেলা মঞ্চে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তিনটি বিভাগে বিভক্ত এ আয়োজন আবেগ, শুদ্ধ উচ্চারণ ও কাব্যিক পরিবেশনায় এক প্রতিযোগিতামূলক আবহ তৈরি করে।

সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। কমল সাহিত্য পরিষদের সভাপতি সাজন আহমদ সাজুর সভাপতিত্বে এবং বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য রেজাউল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. কাপ্তান হোসেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আবৃত্তি শুধু শব্দ উচ্চারণের বিষয় নয়; এটি মননচর্চা ও অনুভূতির প্রকাশের এক শক্তিশালী মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তোলে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক জহির হোসেন তুহিন এবং সিলেটস্থ শান্তিগঞ্জ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন। তারা বলেন, বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার স্থান নয়, এটি সাংস্কৃতিক জাগরণের কেন্দ্র, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কবি কাওসার আরা বেগম, কবি সুয়েজ আহমদ, গল্পকার জীম হামযাহ, কবি মকসুদ আহমদ লাল, কবি এম ওসমান আলীসহ অন্যান্য সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। তারা আবৃত্তির মাধ্যমে ভাষা ও সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করেন।

আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন যুক্তাক্ষর সিলেটের পরিচালক বাচিকশিল্পী বিমল কর এবং কমল সাহিত্য পরিষদের সভাপতি সাজন আহমদ সাজু। বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়।

দিনশেষে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মুখে ছিল আনন্দের হাসি, আর অংশগ্রহণকারীদের চোখে নতুন স্বপ্নের ঝলক। কবিতার ছন্দে সাজানো এই আয়োজন যেন আবারও প্রমাণ করল-শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সম্ভাবনার অসীম দিগন্ত।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ