চুনারুঘাটে ৭৫০ চা শ্রমিক পরিবার পেল ছাগল ও বিভিন্ন উপকরণ
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৫:১৯ PM

চুনারুঘাটে ৭৫০ চা শ্রমিক পরিবার পেল ছাগল ও বিভিন্ন উপকরণ

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩/০৫/২০২৬ ০৪:২৫:৪৬ PM

চুনারুঘাটে ৭৫০ চা শ্রমিক পরিবার পেল ছাগল ও বিভিন্ন উপকরণ

ছবি:সংগৃহীত


হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১৮টি চা বাগানের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ৭৫০টি চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বুধবার উপজেলার চানপুর চা বাগানে এ অনুদান বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

চুনারুঘাট উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্রমিক নেতা উজ্জ্বল দাস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন চুনারুঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসু, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মীর সিরাজ, হবিগঞ্জ জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল হাই, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব শফিক মিয়া, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান।

বক্তারা বলেন, হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিন অবহেলিত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর পাশে সরকার দাঁড়াতে শুরু করেছে। তার উদ্যোগ ও তদারকির কারণে সুবিধাবঞ্চিত শ্রমিকদের মাঝে স্বচ্ছতার সঙ্গে অনুদান বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও ভূমির অধিকার নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্য নিয়মিতভাবে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও জাতীয় সংসদে দাবি উত্থাপন করে আসছেন।

সভায় জানানো হয়, চা শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চানপুর চা বাগানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। হাসপাতালটি বাস্তবায়িত হলে চুনারুঘাট ও মাধবপুর এলাকার হাজারো চা শ্রমিক পরিবার উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপকারভোগী চা শ্রমিকরা সরকারের এ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকলে চা শ্রমিক পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে এবং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে।

এসময় বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ