ছবি : সংগৃহীত
নেপালের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশটির ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
অন্যদিকে চীনের সরকারি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এ ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এতে দুই দেশের মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৯ জনে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা জীবিতদের খুঁজে বের করতে উদ্ধারকারীরা কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।
এদিকে গত বুধবারের আকস্মিক বন্যার পর নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন টানেলে আটকে পড়া শত শত মানুষকে উদ্ধারে জোর চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলও রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞসহ উদ্ধারকারী দল টানেলের ভেতরে আটকে থাকা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। তবে এখন পর্যন্ত ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শত শত মানুষের মধ্যে অনেকেই নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসে পড়ার পর বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীর ওপর দিয়ে নেমে আসে। এতে নেপাল ও চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। রেড ক্রসের হিসাবে, এই দুর্যোগে ৯০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে। চীন জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে এই দুর্যোগের সম্পর্ক রয়েছে।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




