ছবি:সংগৃহীত
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর তুহিন মিয়া (২০) নামে এক সিএনজি অটোরিকশাচালকের লাশ নবীগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের সাতাইহাল গাজীর মোকামের কাছাকাছি সাতাইহাল-টু-কাগাবালা সড়কের পাশে একটি নির্জন জঙ্গল ও বাঁশঝাড়ের ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত তুহিন মিয়া বাহুবল উপজেলার সাতকাহন ইউনিয়নের শংকরপুর (ইছবপুর) গ্রামের আব্দুল্লাহ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে সাতাইহাল এলাকার নির্জন স্থানে এক নারী প্রথমে লাশটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে নবীগঞ্জ থানার এসআই শওকত আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় লাশের পেছনে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের একাধিক ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর থেকে হবিগঞ্জ থ-১১-৪৩৪০ নম্বরের সিএনজি অটোরিকশাসহ তুহিন নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে বাহুবল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ফুলতলী বাজার এলাকার সাতাইহালের নির্জন স্থানে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি তুহিনের বলে শনাক্ত করেন।
নিহতের পরিবারের দাবি, তুহিনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার সিএনজি অটোরিকশাটি নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




