নিউইয়র্কে সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি হলেন সিলেটের মেয়ে চৈতি
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫২ PM

নিউইয়র্কে সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি হলেন সিলেটের মেয়ে চৈতি

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯/১০/২০২৩ ১২:৫৯:১২ PM

নিউইয়র্কে সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি হলেন সিলেটের মেয়ে চৈতি

নিউইয়র্কের সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি চৈতি


নিউইয়র্কে ম্যানহাটন ডিসট্রিক্ট কোর্টে সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি (এডিএ) পদে নিয়োগ পেয়েছেন সিলেটের বংশোদ্ভূত কানিজ ফাহমিদা চৈতি। 

চৈতির বাবা সুজন মিয়া নিউইয়র্কে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। মা সালেহা রত্মা ডেইজি নিউইয়র্ক সিটির স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শক ছিলেন। এখন তিনি পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। তাদের একমাত্র মেয়ে চৈতি। এই দম্পতির একমাত্র ছেলে সাকিব চিকিৎসা বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষে এখন ইন্টার্ন করছেন। 

সিলেটের সুজন-ডেইজি দম্পতি কুইন্সের এলমহার্স্ট এলাকায় বসবাস করেন। কানিজ ফাহমিদা চৈতির দাদার বাড়ি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলায়। সিলেট শহরে তাদের বাসা চৌকিদেখি। নানার বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায়।

চৈতি নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটির অধীনে বারুখ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পর দুই বছর আগে ম্যানহাটন ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসে কাজ শুরু করেন। সেই অফিসেই সম্প্রতি নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। আগামী বছরের শুরুতে তিনি সহকারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি হিসেবে কাজ শুরু করবেন।

চৈতির মামা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক ও সাংবাদিক মাহবুব রহমান বলেন, চৈতি যে পদে নিয়োগ পেয়েছে তাতে প্রতারণা ও হোয়াইট-কলার অপরাধ বিষয়ে অগাধ আইনি জ্ঞান থাকতে হয়। চৈতি তার সেই দায়িত্ব সফলভাবেই পালন করতে পারবেন বলে আশাবাদী।


ডি ডি



শীর্ষ সংবাদ:

সিলেট থেকে আরও প্রতিভাবান ক্রিকেটার তুলে আনা হবে -সিসিক প্রশাসক
আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিকে ঘিরে আদালতে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের হা/তাহাতি
সিলেটি নারী ও ভাষা নিয়ে শাবি শিক্ষার্থীর মন্তব্য, সমালোচনার ঝড়
সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী: এমপি এস এম ফয়সল
পানি নেই, তবুও পাথর আর সবুজের টানে মায়াবী ঝর্ণায় পর্যটকদের ভিড়
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে যাচ্ছে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী
প্রবাসীদের জন্য বিশেষ কার্ড করছে সরকার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
সিলেটে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চো'রাচা'লানের পণ্য জ'ব্দ
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আরও শতাধিক