ছবি: নিজস্ব
ব্যাটারি রিকশা চলাচলের দাবির আন্দোলনে গিয়ে ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাসদ সিলেট জেলার আহ্বায়ক আবু জাফর ও সদস্যসচিব প্রণব জ্যোতি পালসহ তিনজনকে রিমান্ডে চায় পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর আদালতে জাফর ও প্রণবের সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। তবে বিচারক রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেননি।
শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কতোয়ালি থানার এসআই রুপক সরকার। তিনি জানান, আদালতে তিন আসামির ৭ দনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাই রিমান্ডে চাওয়া হয়েছে। তবে আদালত রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেননি।
আবু জাফর ও প্রণব জ্যোতি পাল ছাড়া রিমান্ডের আবেদন করা অন্য আসামি হলেন আজমল হোসেন।
জানা গেছে, ব্যাটারি রিকশা চালকদের পক্ষে আন্দোলনে ছিলেন বাসদের এই দুই নেতা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর নগরীর আম্বরখানা এলাকার নিজ কার্যালয় থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাদের আটক করে। পরে যানবাহন ভাঙচুরের দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এদিন দুই নেতার খোঁজ নিতে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় গেলে সেখানে আটক করা হয় সৈকত ও রনি নামে দুই অটোরিকশা শ্রমিককে। পরে তাদেরও পৃথক মাললায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে গত সোমবার সকালে সিলেট মহানগর হাকিম আদালত-১ এর বিচারক মো. শরিফুল হক আবু জাফর ও প্রণব জ্যোতি পালের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে ভাঙচুরের নতুন দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় কারাগার থেকে ছাড়া পাননি দুই বাসদ নেতা।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপকশিনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার রাতে কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলা করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশর মনিটর সুপার ভাইজার রুহেল মিয়া। বেআইনিভাবে জড়ো হয়ে সিসিকের গেইট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাঁধা প্রদান, ক্ষয়ক্ষতির চেষ্টার অভিযোগে তিনি মামলা করেন। অপর মামলাটির বাদী গাড়িচালক ইব্রাহিম মিয়া। মেন্দিভাগ এলাকায় তার প্রাইভেটকার ভাঙচুর, আহতের অভিযোগে তিনি মামলা করেন। এই দুটি মামলায়ই আসামি করা হয়েছে আবু জাফর ও প্রণব জ্যোতি পালকে।’
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




