ছবি:সংগৃহীত
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে জাতীয় নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়া এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। আজ পুরো জাতি তাঁকে অবিভাবক নেত্রী হিসেবে সম্মান করে। তিনি জানান, জিয়া পরিবারের সঙ্গে সিলেটের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও আবেগঘন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন যুদ্ধক্ষেত্রে সর্বশেষ সিলেটকে মুক্ত করেছিলেন, তেমনি বেগম খালেদা জিয়াও জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সবসময় সিলেটকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং নিয়মিত সিলেট সফর করেছেন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট বিভাগ প্রতিষ্ঠা, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সম্প্রসারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ- এসব উন্নয়ন খালেদা জিয়ার আমলেই বাস্তবায়িত হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রবাসীদের সুবিধা বৃদ্ধি এবং বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
বেগম জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক নিপীড়ন, দীর্ঘ কারাজীবন, বাসভবন উচ্ছেদ, এমনকি সন্তান হারানোর মানসিক অভিঘাত-সবকিছুর মাঝেও তিনি প্রতিহিংসা ছড়াননি। বরং শান্তি, সংযম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বার্তা ছড়িয়ে গেছেন, যা তাঁর ব্যক্তিত্বের মহত্বকে প্রকাশ করে।
তিনি জানান, দেশ-বিদেশের মানুষ বেগম জিয়ার সুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন। জাতির প্রত্যাশা-তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে জনগণের মাঝে ফিরে আসবেন। তিনি খালেদা জিয়ার সুস্থতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য দোয়া কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওহিদুজ্জামান ছুফি চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কোহিনূর আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছাদিকুর রহমান টিপু, মো. সাহাদ মিয়া মেম্বার, রেজাউর রহমান চৌধুরী রাজু, জহিরুল ইসলাম তানিমসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় মুসল্লিয়ান।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




