আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এর ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে।
সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবন-১-এর সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রশিদ।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে নিয়ে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবন-১-এর সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সেখানে ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
কেক কাটার পূর্বে আয়োজিত সমাবেশে ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, আজ আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। আমাদের প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয় ৩৬ বছরে পদার্পণ করেছে। এই সময়ে শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
নির্বাচিত নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন, তাঁদের নেতৃত্বে দেশ শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে যেখানে থাকুক না কেন, তারা দেশের সুনাম বৃদ্ধি করবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্বিত দূত হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
সবশেষে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে ভালো রাখার মাধ্যমেই আমরা ভালো থাকব এই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন এবং মেডিক্যাল সেন্টারের প্রশাসক অধ্যাপক ড. আহমদ কবীর।
এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কালাম আহমদ চৌধুরী, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার আ ফ ম মিফতাউল হক, বিভাগীয় প্রধান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




