সংগৃহীত
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অনুমোদিত পলির সংকট থাকায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের খাবার সরবরাহ বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৯ মে) থেকে ফের সেই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বলছে, বিএসটিআই অনুমোদিত প্যাকেজিং পলি না পাওয়ায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কয়েকদিন খাবার দেওয়া বন্ধ রেখেছিল। বর্তমানে সেই কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বেজায় খুশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে দেওয়া এক লিখিত আবেদনে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নির্ধারিত মান বজায় রেখে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বিএসটিআই অনুমোদিত বিশেষ পলি ব্যবহার বাধ্যতামূলক। কিন্তু বিএসটিআই অনুমোদিত পলির চাহিদা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় কিছু দিন প্যাকেটের সংকট তৈরি হয়। সেই বিশেষ পলি পাওয়ায় ফের সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
কুলাউড়া পৌর শহরের রাবেয়া আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাবেয়া বেগম বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের শুরু থেকেই আমাদের স্কুলের ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীরা খাবার পাচ্ছে। এই খাবার বিতরণের কারণে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেকটা বেড়েছে। আমরা চাই সরকারের এই ব্যতিক্রমী কার্যক্রম সবসময় অব্যাহত থাকুক। ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিতি কম থাকলে আমরা খাবার দুই প্যাকেট করে দেই।
কুলাউড়ার স্থানীয় সরবরাহকারী ফারহান চৌধুরী বলেন, ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্সের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কুলাউড়ায় আমি খাবার সরবরাহ করছি। বিএসটিআইয়ের অনুমোদিত পলি প্যাকেটিং না পাওয়ায় কয়েকদিন খাবার বিতরণ বন্ধ ছিল। সেই সংকট শেষ হওয়ায় আমরা ফের এই কার্যক্রম চালু করেছি।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আহমদ জানান, কুলাউড়া উপজেলার ১৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিএসটিআই অনুমোদিত বিশেষ পলি সংকট থাকায় খাবার বিতরণ কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার থেকে ফের চালু হয়েছে।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




