এমরান আহমদ চৌধুরীর হাত ধরে ৩০ বছর পর ধানের শীষের বিজয়
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০১:৩৪ PM

সিলেট-৬ আসন

এমরান আহমদ চৌধুরীর হাত ধরে ৩০ বছর পর ধানের শীষের বিজয়

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪/০২/২০২৬ ০৭:১৭:০৫ PM

এমরান আহমদ চৌধুরীর হাত ধরে ৩০ বছর পর  ধানের শীষের বিজয়

ছবি:সংগৃহীত


দীর্ঘ তিন দশক পর সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ–বিয়ানীবাজার) আসনে আবারও ধানের শীষের বিজয় ফিরে এসেছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে এটি শুধু একটি নির্বাচনী জয় নয়, বরং বহু দিনের অপেক্ষা ও রাজনৈতিক প্রত্যাশার বাস্তবায়ন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে এ আসনে দলটি পুনরায় বিজয়ের স্বাদ পেল।

১৯৯৬ সালের পর এই আসনে বিএনপি আর জয় পায়নি। ফলে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের নেতাকর্মীরা দলীয় প্রতীক নিয়ে বিজয় উদযাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই আক্ষেপ ঘুচেছে। বিপুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী ৮ হাজার ৩৪৮ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে জয় নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনে আসনটিতে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে এমরান আহমদ চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বলে বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়।

সিলেট-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে শুরু থেকেই ছিল আলোচনা ও নানা জল্পনা। দলের হেভিওয়েট কয়েকজন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা এমরান আহমদ চৌধুরীর ওপরই আস্থা রাখে দল। চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পর মাত্র ১৫–১৬ দিনের স্বল্প সময়ের প্রচারণায় তিনি ব্যাপক গণসংযোগ চালান এবং সাধারণ ভোটারদের সমর্থন অর্জন করেন।

সিলেট-৬ আসনের নির্বাচনী ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ছয়বার আওয়ামী লীগ, দুবার জাতীয় পার্টি এবং দুবার স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপির হয়ে এর আগে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লুৎফুর রহমান এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে শরফ উদ্দিন খসরু বিজয়ী হয়েছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারও ধানের শীষের জয় এনে দলের নেতাকর্মীদের মুখে হাসি ফুটালেন এমরান আহমদ চৌধুরী।

৫৮ বছর বয়সী এমরান আহমদ চৌধুরী পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে ২০০২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে ২০২২ সালে প্রত্যক্ষ ভোটে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য এবং দলের আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত কর্মী হিসেবেও পরিচিত।

নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় তিনি বারবার উন্নয়নের অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারের প্রতিটি গ্রামের সমস্যা তাঁর জানা আছে এবং নির্বাচিত হলে পর্যায়ক্রমে সেসব সমাধানে কাজ করবেন। তাঁর এই আশ্বাস ও তৃণমূল সংযোগই শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার উন্নয়নে প্রতি বছর ৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে : এমপি ফয়সল
অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলন হতে পারে ক্ষতির কারণ
কোম্পানীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে মা*রধর করে টাকা ছি*নতাই
নবীগঞ্জে চু*রি-ছি*নতাই বৃদ্ধি, জনমনে উ*দ্বেগ
২০ মে ‘চা শ্রমিক দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও স্ববেতনে ছুটির দাবি
২৩ মে থেকে গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমি মাঠে বসছে পশুর হাট
জৈন্তাপুরে নিজের শি*শু ক*ন্যাকে এ*কাধিকবার ধ*র্ষণ, পিতা গ্রে*প্তার
বিয়ানীবাজারে পৃথক ঘট*নায় বৃদ্ধ ও শিশুর মৃ*ত্যু
‘গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারের সব সমস্যার সমাধান করা হবে’ - এমপি এমরান চৌধুরী
সুনামগঞ্জে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সং'ঘর্ষে নি'হত ২