সামাজিক মাধ্যমে অ*পপ্রচারের প্র*তিকার চাইলেন সাবেক মহিলাদল নেত্রী
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০১:৪৮ AM

সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক মাধ্যমে অ*পপ্রচারের প্র*তিকার চাইলেন সাবেক মহিলাদল নেত্রী

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২/০৩/২০২৬ ০৫:০১:১৪ PM

সামাজিক মাধ্যমে অ*পপ্রচারের প্র*তিকার চাইলেন সাবেক মহিলাদল নেত্রী

ছবি:সংগৃহীত


জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে তার পরিবারকে সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে এমন অভিযোগ করেছেন নগরের ছড়ারপার এলাকার বাসিন্দা মৃত সাবু মিয়ার স্ত্রী রুনু বেগম।

সোমবার (২ মার্চ) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন। নিজেকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উল্লেখ করে রুনু বেগম বলেন, কয়েক বছর ধরে স্থানীয় কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তাদের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পরিবারকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, তার দুই ছেলে রুমেল আহমদ ও রুহেল আহমদ মানসিকভাবে অসুস্থ। বড় ছেলে রুমেলের সন্তান আতাউর রহমান রাহী একজন কলেজ শিক্ষার্থী এবং ছোট ছেলে রুহেলের সন্তান এহসান আরাফাত রাফি স্কুলছাত্র। অনেক কষ্টে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রুনু বেগম অভিযোগ করেন, প্রায় দুই বছর আগে জায়গা বিরোধের জেরে তার নাতি রাহীকে কুপিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন।
তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি ‘তদন্তরিপোর্টডটকম’ নামে একটি ফেসবুক পেইজে তার নাতিকে জড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে গোয়াইনঘাট সীমান্ত এলাকার চোরাচালানের সঙ্গে কালিঘাট বাজারে ভারতীয় পণ্য বিক্রির বিষয় তুলে ধরে রাহীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে। সেখানে তাকে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সেক্রেটারী ও বাজার নিয়ন্ত্রক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
রুনু বেগম বলেন, ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ঘোষিত ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কমিটিতে আরাফাত আহমদ নামে একজন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তার নাতি কখনো ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন না। একই প্রতিবেদনে মাসুম ও সাদ্দাম নামে দুইজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে, যারা স্থানীয়ভাবে শ্রমিক হিসেবে পরিচিত। আমার কলেজপড়ুয়া নাতি কীভাবে একটি বাজার নিয়ন্ত্রণ করবে? প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এছাড়া ‘নগর সমাচার২৪ডটকম’ নামে আরেকটি পেইজে রাহীকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে রুনু বেগম জানান, শবে বরাতের আগের দিন বন্দরবাজার এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরে ৫ আগস্ট-পরবর্তী বিস্ফোরক আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে মামলার বাদী আব্দুস সালাম টিপু আদালতে লিখিতভাবে জানান, রাহীর বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই। পরে আদালত রাহীকে জামিন দেন।
সংবাদ সম্মেলনে রুনু বেগম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে তার পরিবারকে হয়রানি ও মানহানি করছে। অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ