ছবি:সংগৃহীত
গণঅধিকার পরিষদ সিলেট জেলা শাখা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক লিটন মাহমুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে দলটি।
বুধবার (৪ মার্চ) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক রহমতে এলাহি লস্কর নাঈম। তিনি অভিযোগ করেন, গণঅধিকার পরিষদের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও গণমুখী কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করতেই এ মামলা পরিকল্পিতভাবে দায়ের করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার পর সিলেট নগরের এয়ারপোর্ট রোডের এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড এলাকায় পুলিশের একটি চেকপোস্টে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করা হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ ও চালক জুনায়েদকে আটক করা হয়। তল্লাশির সময় গাড়ির পেছনের সিট থেকে একটি ওয়াকিটকি এবং ঢালার ভেতর থেকে একটি কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, প্রাইভেটকার ও উদ্ধার হওয়া ওয়াকিটকির মালিক কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই কামরুল। ঘটনার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিনি গাড়ি থেকে নেমে যান এবং চালক গাড়িটি নিয়ে সিলেটের দিকে রওনা দেন। পরে চেকপোস্টে গাড়িটি আটক করা হয়।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, এসআই কামরুল ঘটনাস্থলে এসে গাড়ি ও ওয়াকিটকির মালিকানা স্বীকার করলেও পরবর্তীতে ‘ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক’ দেখিয়ে লিটন মাহমুদ ও চালক জুনায়েদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে এসআই কামরুলের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।
গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে লিটন মাহমুদ ও জুনায়েদের নিঃশর্ত মুক্তি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের প্রতি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে আইনানুগ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




