ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ইরানের ক্ষেপণা*স্ত্র হাম*লা
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১২ AM

পাল্টা বিমান হামলা ইসরায়েলের

ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ইরানের ক্ষেপণা*স্ত্র হাম*লা

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬/০৩/২০২৬ ০৪:৩৯:৫২ PM

ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ইরানের ক্ষেপণা*স্ত্র হাম*লা

ছবি:সংগৃহীত


মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে তেল আবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার সময় এসব বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গেছে।

এদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরানের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় পরিসরে বিমান হামলা শুরু করেছে।

অন্যদিকে কুয়েতের আল জাহরা এলাকায় অবস্থিত আলী আল সালেম বিমানঘাঁটির দিক থেকে বিস্ফোরণের পর ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। স্থানীয় সূত্রগুলো এটিকে সম্ভাব্য হামলার ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সংঘাতের প্রভাব লেবাননেও পড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৬৮৩ জন।

এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি নাগরিকদের সতর্ক করে জানিয়েছে, তারা যেন উত্তরের সীমান্ত থেকে ৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা শহরগুলো ছেড়ে সরে যায়।

সংঘাতের প্রভাবে পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরের নৌপথেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ফ্রান্সের পরিবহনমন্ত্রী ফিলিপ তাবারো জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরে ফ্রান্সের ৫২টি এবং লোহিত সাগরে আরও ৮টি জাহাজ আটকা পড়েছে। নৌপথ নিরাপদ করতে আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে প্যারিস।

এদিকে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছেন। হামলায় ৩ হাজার ৯০টি বাড়িঘরসহ মোট ৩ হাজার ৬৪৩টি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে ৫২৮টি বাণিজ্যিক ও সেবা কেন্দ্র, ১৪টি চিকিৎসা কেন্দ্র বা ওষুধ কারখানা এবং রেড ক্রিসেন্টের ৯টি স্থাপনাও রয়েছে।

অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, লোরেস্তান প্রদেশের আকাশে একটি এমকিউ-৯ ড্রোন এবং তেহরানের আশপাশে আরেকটি হারমেস ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমানবাহিনী রাতভর হামলা চালিয়ে ইরানের ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করেছে। পাশাপাশি ইরানের তিনটি অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।





জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ