বড়লেখায় বৈদ্যুতিক তার চু/রি, ৪ আসামি গ্রে/প্তার
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ PM

বড়লেখায় বৈদ্যুতিক তার চু/রি, ৪ আসামি গ্রে/প্তার

মোহাম্মদ মোস্তফা উদ্দিন, বড়লেখা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০/০৯/২০২৬ ০৪:১১:৩৮ PM

বড়লেখায় বৈদ্যুতিক তার চু/রি, ৪ আসামি গ্রে/প্তার

সংগৃহিত


মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা মূল্যের বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনায় চোরাই মালামাল উদ্ধারসহ চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সিলেটের বিয়ানীবাজার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিধি অনুযায়ী গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সিলেটের বিয়ানীবাজার থানার কাচারীবাগ গ্রামের রিপন আহমেদের ছেলে রাফি, দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কাশিভাঙ্গা গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. সোহেল রানা, একই উপজেলার সিংগুল গ্রামের জেনারুল ইসলামের ছেলে কামরুল হাসান মিলন এবং কুমিল্লার ভাঙ্গা থানার মুকলেছপুর গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে মো. জুয়েল আহমদ।

পুলিশ জানায়, মেসার্স এম আলগমীর নামের লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান বড়লেখায় পল্লী বিদ্যুতের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করে আসছে। কাজের সুবিধার্থে প্রতিষ্ঠানটি বড়লেখা পৌরসভার উত্তর চৌমুহনী এলাকার শাহবাজপুর রোডের ব্রিজসংলগ্ন ফয়েজ মেম্বারের একটি ঘর ভাড়া নিয়ে বৈদ্যুতিক তার ও অন্যান্য মালামাল মজুদ করে রাখে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার মধ্যে কোনো একসময় সংঘবদ্ধ চোর চক্র ওই ঘরের সামনের খোলা জায়গায় মজুদ রাখা পিডিবি ডক মার্লিন, আইটেম নম্বর-ডি ২৭ মডেলের প্রায় ৪০০ মিটার বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া তারের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় বড়লেখা থানায় মামলা নম্বর-১৯/২০ সেপ্টেম্বর, পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩৭৯ ধারায় মামলা করা হয়।

মামলার পর চোরাই মালামাল উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে বড়লেখা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শেখ কামরুল ইসলাম, এএসআই সন্তোষ কুমার বিশ্বাস, এএসআই কাওছার আহমদসহ পুলিশের একটি দল বিয়ানীবাজার থানা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় চুরি হওয়া বৈদ্যুতিক তার উদ্ধার এবং চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান খান রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করার পর পুলিশের বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ