ছবি:সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সোনা মিয়া ওরফে সোনাই পাগলা (৫০) নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর করে জোরপূর্বক মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার রানীগঞ্জ পশ্চিম বাজারের খাতুন কমপ্লেক্সের পেছনে এ ঘটনা ঘটে।
সোনা মিয়া দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের টংঘর গ্রামের বাসিন্দা। ‘সোনাই পাগলার টংঘর’ নামে তার একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখানে তিনি বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. মাখন মিয়া। তিনি রানীগঞ্জ এলাকার বাগময়না গ্রামের বাসিন্দা। রানীগঞ্জ বাজারে তার একটি পার্লার রয়েছে। পাশাপাশি তিনি বাজারের ইজিবাইক স্ট্যান্ডের ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছেন। খাতুন কমপ্লেক্সটি তার ফুফাতো ভাই একই গ্রামের শাহ গোলাপ মিয়ার বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মাখন মিয়া কাঁচি দিয়ে সোনা মিয়ার মেহেদি রঙ করা লম্বা চুল কেটে দিচ্ছেন। সোনা মিয়া তার হাত থেকে রক্ষা পেতে দৌড়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে ধরে রাখা হয়। এ সময় তাকে লাথি মারার দৃশ্যও দেখা যায়।
ভিডিওতে সোনা মিয়াকে আকুতি জানিয়ে বলতে শোনা যায়, ‘মাখন ভাই, দয়া করেন, আমারে ছাইড়া দেন।’ এ সময় তাকে গালাগাল করারও শব্দ শোনা যায়। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘এক বছর আগের ঘটনাতো শেষ অইছে।’
চুল কাটার সময় ছেঁড়া গেঞ্জি দেখিয়ে সোনা মিয়া স্থানীয় লোকজনের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা দেখইন, আমিতো কইরাম দেইক্কা দিমু, একদিন ইতা শক্তি আমিও খাটাইমু।’ তিনি দাবি করেন, এক বছর আগে মাখনের সঙ্গে তার একটি ঘটনা ঘটেছিল।
চুল কাটা শেষ পর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সোনা মিয়া বলেন, ‘আমার বাড়ি দিরাই, এর হিসাব পাইবে তুই।’
পরে বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেসবুক লাইভে এসে সোনা মিয়া অভিযোগ করেন, ‘রানীগঞ্জের মাখন গুন্ডা আমার চুল কাইট্টা দিছে।’
লাইভে তিনি বলেন, এক বছর আগে দিরাইয়ে ম
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




