বড়লেখায় মুন্নি আ/ত্ম/হ/ত্যা প্র/রোচনা মামলায় চামেলী গ্রে/প্তার
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ PM

বড়লেখায় মুন্নি আ/ত্ম/হ/ত্যা প্র/রোচনা মামলায় চামেলী গ্রে/প্তার

মোহাম্মদ মোস্তফা উদ্দিন, বড়লেখা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯/০৯/২০২৬ ০৭:৪২:১১ PM

বড়লেখায় মুন্নি আ/ত্ম/হ/ত্যা প্র/রোচনা মামলায় চামেলী গ্রে/প্তার

ছবি:সংগৃহীত


মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির আ/ত্ম/হ/ত্যা প্ররোচনা মামলার পলাতক প্রধান আসামি তাঁর ননদ চামেলী আক্তারকে (২৫) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার চামেলী আক্তার বড়লেখা উপজেলার মুড়িরগুল গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর মেয়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চামেলীর অবস্থান শনাক্ত করার পর তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে বড়লেখা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল। প্রায় ৪৮ ঘণ্টার অভিযান শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বছিলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন বড়লেখা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ কামরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আবদুল করিম। পুলিশের একটি বিশেষ দলও অভিযানে অংশ নেয়।

পুলিশ জানায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর মা রেনু বেগম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় মামলা করেন। মামলায় মুন্নির স্বামী, শাশুড়ি, ননদ, ভাসুর ও জাসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের একপর্যায়ে মুন্নিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়। মামলা হওয়ার পর থেকেই পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিল পুলিশ।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান শনিবার দুপুরে চামেলী আক্তারকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশের বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার সকালে তাঁকে বড়লেখা থানায় আনা হয়। মামলার ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ