দক্ষিণ সুরমায় প্রবাসীকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে ব/ঞ্চিত করার অ/ভিযোগ
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ PM

দক্ষিণ সুরমায় প্রবাসীকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে ব/ঞ্চিত করার অ/ভিযোগ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯/০৯/২০২৬ ০৪:৩৯:০৫ PM

দক্ষিণ সুরমায় প্রবাসীকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে ব/ঞ্চিত করার অ/ভিযোগ

ছবি:সংগৃহীত


পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ, জাল দলিল তৈরি এবং সম্পত্তির ভাড়া থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ করেছেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মো. রুহুল ইসলাম। তিনি সিলেট নগরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কায়েস্থরাইল এলাকার মরহুম আলাউদ্দিন আহমদের ছেলে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দেশে থাকা ভাইদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন রুহুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে রুহুল ইসলাম বলেন, ১৯৯৪ সাল থেকে স্ত্রী শিফা বেগম, তিন ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। প্রবাসে থাকা অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের প্রতিষ্ঠিত করতে নিয়মিত অর্থ পাঠিয়েছেন। বড় ভাই নজরুল ইসলামের মেয়ের বিয়েসহ দুই বোনের বিয়ে এবং অন্যান্য ভাইদের প্রতিষ্ঠিত করতেও তিনি আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।

তবে বর্তমানে দেশে থাকা ভাইদের বিরুদ্ধে তাকে পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ করেন তিনি। রুহুল ইসলামের দাবি, পৈতৃক বাড়ির সম্পত্তির কিছু অংশ অন্য ভাইয়েরা নিজেদের নামে দলিল করে নিয়েছেন। এর মধ্যে ২০০০ সালে তৈরি ৭১২৩ নম্বর দলিলটিকে তিনি জাল বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, ওই দলিলে তার স্বাক্ষর জাল করে তাকে সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে। দলিলের নকল সংগ্রহ করার পর নিজের স্বাক্ষর দেখে বিষয়টি জানতে পারেন। তার দাবি, দলিলটি রেজিস্ট্রি করার সময় তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন।

এ ছাড়া তার স্ত্রী শিফা বেগমের কাবিনে দেওয়া চার শতক জমিও দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রুহুল ইসলাম। তার ভাষ্য, কাবিনের অংশ হিসেবে তার মা ওই জমি তার স্ত্রীকে দিয়েছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পৈতৃক সম্পত্তির দোকান ও বাড়ি থেকে ভাড়া আদায়েও তাকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। রুহুল ইসলামের দাবি, দোকানদারেরা তাকে ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছেন, তার ভাইদের নিষেধ রয়েছে। একইভাবে বাড়ির ভাড়াটিয়ারাও তাকে ভাড়া দিতে চান না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রুহুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিবারের সদস্যদের জন্য অর্থ পাঠালেও বর্তমানে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

তিনি জানান, বিষয়টি স্থানীয় মুরব্বিদেরও জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, সিলেটের জেলা প্রশাসক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ