চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত: দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৩ AM

চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত: দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৮/০৪/২০২৬ ০৭:৫৭:৪৬ PM

চা শ্রমিকদের সহায়তায় সৈয়দ শাফকাত: দুর্দিনে পাশে থাকার অঙ্গীকার

ছবি:সংগৃহীত


দীর্ঘ চার সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে হবিগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ সুরমা চা বাগান। বাগান বন্ধ থাকায় প্রায় দুই হাজারেরও বেশি শ্রমিক পরিবারের জীবনে নেমে এসেছিল চরম দুর্ভোগ। রেশন ও তলব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারে দেখা দেয় তীব্র খাদ্যসংকট।

এমন সংকটময় সময়ে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সলের ছেলে এবং সায়হাম গ্রুপের নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ।

জানা গেছে, এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সলের নির্দেশে তার ছেলে শাফকাত আহমেদ ব্যক্তিগত উদ্যোগে শ্রমিক পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকার চাল বিতরণ করা হয়। বুধবার বিকেলে সুরমা চা বাগানের সদর, মাহঝিল, ২০ নম্বর ও ১০ নম্বর ডিভিশনের শ্রমিকদের মাঝে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগান বন্ধ থাকায় শ্রমিক পরিবারগুলো চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে। অনেক পরিবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের সংকট দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে শাফকাত আহমেদের এই সহায়তা শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে।

সাবেক ভ্যালি সভাপতি আবিরত বাক্তি বলেন, ‘চা বাগানে যখন খাবারের জন্য হাহাকার শুরু হয়েছিল, ঠিক তখনই আমাদের এমপি সাহেব সহযোগিতার হাত বাড়ান। বাগান পুনরায় চালুর ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। তার নির্দেশে তার ছেলে আজ শ্রমিকদের মাঝে চাল বিতরণ করেছেন, এতে শ্রমিক পরিবারগুলো অনেক খুশি।’

ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ বলেন, ‘এই সহায়তা শ্রমিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এতে তাদের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হয়েছে।’

এ বিষয়ে সৈয়দ মোঃ শাফকাত আহমেদ বলেন, ‘আমরা অবহেলিত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই। যেকোনো দুর্যোগে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলামআজকের এই সহায়তা সেই অঙ্গীকারেরই অংশ। এখন বাগান আবার চালু হয়েছে, এতে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও আমাদের সাধ্যমতো শ্রমিকদের পাশে থাকব।’

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সুরমা চা বাগান পুনরায় চালু হওয়ায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে এসেছে। কাজের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় শ্রমিকদের মুখে আবারও ফিরেছে স্বস্তির হাসি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ