নির্মানাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ PM

কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়ক

নির্মানাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত

মহি উদ্দিন, কুলাউড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২/০৪/২০২৬ ১১:৩৬:০১ PM

নির্মানাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত

সংগৃহিত


মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ব্যস্ততম কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কে ডাইভারশন ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে একটি ব্রিজ নির্মাণের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। এ পথ দিয়ে যানবাহনগুলোকেও বিকল্প পথ দিয়ে চলাচল করায় সময় ও অর্থের অইেশ অপচয় হচ্ছে। এই রুটে যোগাযোগ ব্যবস্থা রবিবার সকাল থেকে ব্যাহত হওয়ায় ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে ডাইভারশন ছাড়াই কাজ করায় এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনকে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে। রবিবার রাত সাড়ে আটটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ সড়ক দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।  

জানা গেছে, নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে ডাইভারশনের ব্যবস্থা না করে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার চলমান এ কাজ চলছে প্রায় ছয় মাস থেকে। ৩৩ ফুট দৈর্ঘ্যরে ব্রিজটি নির্মাণে বিকল্প পথে চলাচলের ব্যবস্থা না করে প্রথম পর্যায়ে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ডাইভারশন না করে প্রথম ধাপের শেষ হওয়া অংশে যোগাযোগ চালু করে দ্বিতীয় ধাপের বাকী কাজ শুরু হয় ৪-৫ দিন আগ থেকে। দ্বিতীয় ধাপে কাজ শুরু হলে গত শনিবার রাতে বৃষ্টির পানি ও উজানের ঢলে গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যায়। এতে রবিবার সকাল থেকে এই সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।

পথচারী রাজু আহমদ, আব্দুল কাইয়ুম জানান, ব্রিজের কাজ ডাইভারশন ছাড়া চলছে কয়েকমাস থেকে। অর্ধেক ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনের চলাচলে দুর্ঘটনা আশঙ্কা রয়েছে। মাটি ও গাইডওয়াল ধসের কারণে ব্রিজে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিকল্প সড়কে যাতায়াত করায় অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। সিএনজি চালক রহিম জানান, ব্রিজের অল্প অংশে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হয়। ব্রিজ বন্ধ করায় বিকল্প পথে চলাচলের কারনে কিছুটা ভাড়া বেশি নিতে হচ্ছে।


কাজ সম্পাদনকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আরকে কনস্ট্রাকশন ঢাকার সাইড সাইট টিকাদার ডিপু আহমদ জানান, ব্রিজের কাছে পর্যাপ্ত জমি না থাকায় ডাইভারশন করা সম্ভব হয়নি। ধসে যাওয়া এলাকা মেরামতের কাজ চলামান আছে। রাতের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে।


এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্কাস আলী বলেন, নির্মানাধীন ব্রিজটির জন্য ডাইভারশন করা হয়নি জমি স্বল্পতার কারণে। ধসে যাওয়া অংশের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হচ্ছে। 



জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ