শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে সৈয়দ শাফকাত
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৬ PM

শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে সৈয়দ শাফকাত

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬/০৪/২০২৬ ০৫:০৫:২৫ PM

শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে সৈয়দ শাফকাত

সংগৃহীত


হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ইটাখোলা ফাজিল মাদ্রাসায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি এবং সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। বৃহস্পতিবার সকালে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

সংবর্ধনা সভায় সম্বর্ধিত প্রধান অতিথি  সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতে মানসম্মত ইসলামী শিক্ষা লাভের পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানেও সমৃদ্ধ হতে পারে, সে বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মাদ্রাসার বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে তিনি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। বিশেষ করে ছাত্রাবাস (হোস্টেল) নির্মাণ, ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন, মাল্টিমিডিয়া ল্যাব স্থাপন এবং একাডেমিক ভবনের উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষা আর প্রচলিত ধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনের জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নিয়মিত অধ্যয়ন, কঠোর পরিশ্রম ও অনুশীলনের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আমীর হোসাইন যাকারিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর মঈন উদ্দিন, প্রফেসর মিজানুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ জাবেদ, শিক্ষক হিমাংশু রঞ্জন দেব এবং বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে বক্তারা মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্থানীয়রা মনে করছেন, সৈয়দ শাফকাত আহমেদের এই আশ্বাস বাস্তবায়িত হলে মাদ্রাসাটির শিক্ষার মান ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণের আরও বেশি সুযোগ পাবে।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা