সংগৃহিত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) ‘সাস্ট কমিউনিটি মেরিট এলোকেশন’ (এসসিএমএ) বা পোষ্য কোটায় নির্ধারিত আসনের বাইরে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল তিনটায় শুরু হওয়া অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ভর্তি–সংক্রান্ত সূত্রগুলো জানায়, এসসিএমএ কোটায় বর্তমানে মোট ২০টি আসন নির্ধারিত রয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের ভিত্তিতে এসব আসনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানদের ভর্তি করা হয়। তবে আসনের সংখ্যা সীমিত হওয়ায় এর বেশি শিক্ষার্থীকে এই কোটায় ভর্তির সুযোগ নেই।
এদিকে, সংশ্লিষ্টদের একাধিক আবেদনের প্রেক্ষিতে আসনসংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। আজকের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে শাবিপ্রবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আদনান মোহন বলেন, পোষ্য কোটা বাড়ানোর পক্ষে তিনি নন। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সন্তানরা আগে থেকেই বিভিন্ন সুবিধা পেয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোটার নাম পরিবর্তন করে নতুন শর্তে ২০টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন আবার সেই সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




