গবাদিপশুর জেনেটিক উন্নয়নে ব্র্যাকের দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৬ PM

গবাদিপশুর জেনেটিক উন্নয়নে ব্র্যাকের দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২/০৪/২০২৬ ১০:৪১:২০ PM

গবাদিপশুর জেনেটিক উন্নয়নে ব্র্যাকের দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

ছবি:সংগৃহীত


বাংলাদেশে গবাদিপশুর জেনেটিক মানোন্নয়ন, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খামারিদের আয় বাড়াতে ব্র্যাক দেশব্যাপী ‘এআইএসপি’দের প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে একটি বিস্তৃত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বর্তমানে ব্র্যাকের প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন কৃত্রিম প্রজনন সেবা প্রদানকারী (এআইএসপি) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। এই বৃহৎ নেটওয়ার্ককে আরও দক্ষ, আধুনিক ও কার্যকর করতে উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে, যা গ্রামীণ প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের প্রায় ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে আধুনিক কৃত্রিম প্রজনন কৌশল, প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং উন্নত পশুপালন পদ্ধতি বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে মাঠ পর্যায়ের সেবার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি সফল প্রজননের হারও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সিলেটের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু জাফর মো. ফেরদৌল এবং সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের জেনারেল ম্যানেজার কৃষিবিদ ডা. হারুন-অর-রশীদ।

এছাড়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. মিজানুর রহমান মিয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাহিদ আরজুমান বানু এবং ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজের এজিএম একেএম রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ব্র্যাকের কৃত্রিম প্রজনন কর্মীরাও অংশ নেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ খাতকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে উন্নীত করতে হলে মাঠ পর্যায়ের সেবাদানকারীদের দক্ষতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। ব্র্যাকের এই উদ্যোগ সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ।’

সভাপতি বলেন, ‘এআইএসপি’দের দক্ষতা বৃদ্ধি মানেই সরাসরি খামারিদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

উল্লেখ্য, এ উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নত জাতের গবাদিপশু বিস্তার, দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ