হাতিয়ায় কিশোরীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্র ত্যা হা র
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ PM

হাতিয়ায় কিশোরীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্র ত্যা হা র

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪/০৬/২০২৬ ০৭:০৫:২৬ PM

হাতিয়ায় কিশোরীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্র ত্যা হা র

সংগৃহিত


নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাতে ভুক্তভোগী কিশোরী ও তার মায়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম মো. খোরশেদ আলম (৫৯)। তিনি হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) পুলিশ পরিদর্শক ছিলেন। পরে তাকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

আজ রোববার প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা ওই তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নাবান্নার কাজ করার সুবাদে কিশোরীও সেখানে মাঝেমধ্যে যাতায়াত করত। কিশোরীর অভিযোগ, ঘর ঝাড়ু দেওয়া ও বিছানা ঠিক করার অজুহাতে ডেকে নিয়ে খোরশেদ আলম তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে মুখ বন্ধ রাখার জন্য টাকা ও মোবাইল কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হতো। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখলেও, গত ৫ জানুয়ারি এক ঘটনার পর কিশোরী তার মাকে সব খুলে বলে।

কিশোরীর মায়ের দাবি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানোর পর স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকজন পুলিশের পক্ষ নিয়ে তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

এদিকে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো দাবি করে পুলিশ পরিদর্শক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমি থানার ভেতরে নিজ বাসায় একা থাকতাম। আমার বাসায় কোনো মহিলা কাজ করত না। তারা মইনুল নামে এক এসআইয়ের বাসায় কাজ করত। মইনুল পুলিশের আইন পরিপন্থী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তার বিরুদ্ধে লেখি; এর কারণে সে জাহাজমারা তদন্ত কেন্দ্র থেকে বদলি হয়ে চলে যায়। এই মেয়ের মা ওই এসআই মইনুলের বাসায় কাজ করত।’

তিনি দাবি করেন, ‘এসআই মইনুল এই মেয়ে ও মেয়ের মাকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে এই সাজানো নাটক সাজিয়েছেন, যা ইতিপূর্বে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখেছেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আমাকে হাতিয়া থেকে সরানোর জন্য চক্রান্ত করে এই ঘটনা সাজানো হয়েছে।’

হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, ‘অনেক আগে এ ধরনের একটি অভিযোগ উঠলে সার্কেল কর্মকর্তার তদন্তে সত্যতা মেলেনি বলে জেনেছি। তবে শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তাৎক্ষণিক ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে এই বিষয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি, এবং ভুক্তভোগী পরিবারও যোগাযোগ করেনি।’

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

আমরা শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নই, উদ্ভাবক হতে চাই: জেলা প্রশাসক
পাড়া-মহল্লার রাস্তা পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে: সিসিক প্রশাসক
যানজটে ভো'গান্তিতে গোলাপগঞ্জের মানুষ
সিলেটে ব'জ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
গোয়াইনঘাটে সাবেক ইউপি সদস্যের মা'দক সেবনের ভিডিও ভাইরাল
জীবনের শেষ প্রান্তে অ*সহায় অনিল সরকার দম্পতি, মানবিক সহায়তার আবেদন
পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বেশি বেশি গাছ লাগান- এমপি মিঠু
সিলেট সাড়ে ৪ লাখ টাকার অ*বৈধ ভা*রতীয় ক্রিম জ*ব্দ, সিএনজিসহ গ্রে*ফতার ১
কুলাউড়া সীমান্তে বি*এসএফের গু*লিতে নি*হত বাংলাদেশি যুবকের ম*রদেহ হস্তান্তর
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষের দু*র্ভোগ লাঘব সম্ভব: এমপি এম,এ মালিক