সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে অটোরিকশায় তুলে অন্য স্থানে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে চালক ও তার সহযোগীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের জনৈক মন্তাজ আলীর বসতঘরে এ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে বোলে জানা গেছে।
ধর্ষণের শিকার নারী সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল (সাহেববাজার) এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে ওই নারী বাদী হয়ে ৪ জনের নামে বিশ্বনাথ থানায় একটি ধর্ষণের মামলা করেছেন। মামলায় আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা রাখা হয়েছে।
মামলার পর প্রধান আসামি হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে গয়াছ মিয়া গেদাকে (৪৪) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। আর ধর্ষণের শিকার নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে ওই নারী উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ছাতকে যাওয়ার জন্য দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল নামক স্থান থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন তিনি। অটোরিকশার চালক ছিলেন মামলার ৩ নম্বর আসামি হায়াতেরগাঁও গ্রামের হাসিব আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৩০)। অটোরিকশায় ওঠার পর তাকে কৌশলে বিশ্বনাথের আলমনগর গ্রামের জনৈক মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
মামলায় বাকি দুই আসামি হচ্ছেন আলমনগর গ্রামের মৃত আয়না মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া (৩০) ও বটতলা গ্রামের ছাদ মিয়ার ছেলে আমির আলী (২৮)। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলেও এজাহারনামীয় বাকি ৩ জন পলাতক রয়েছেন।
এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর ধর্ষণের শিকার নারীকে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




