ছবি:সংগৃহীত
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও সাংগঠনিক তৎপরতা বন্ধে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার কার্যালয়ের সামনে তিন ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদল। এ সময় সংগঠনটির নেতারা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদলের জেলা ও মহানগর শাখা। এতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পরে ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এসএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. এনামুল হকের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরে।
অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় রয়েছে। তাদের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও সাংগঠনিক তৎপরতা বন্ধে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার কার্যালয়ের সামনে তিন ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদল। এ সময় সংগঠনটির নেতারা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এসএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদলের জেলা ও মহানগর শাখা। এতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
পরে ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এসএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. এনামুল হকের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরে।
অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় রয়েছে। তাদের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একশ্রেণির কর্মকর্তার উদাসীনতা ও পরোক্ষ প্রশ্রয়ের কারণেই নিষিদ্ধ সংগঠনটি আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।
বক্তারা আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত অনেক আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী এখনও প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন। তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে পুলিশের কথিত নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন।
ছাত্রদলের নেতারা জানান, শুক্রবার ভোরে নগরের টিবি গেইট এলাকায় ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে নবাবরোড, কাজিটুলাসহ কয়েকটি এলাকাতেও একই ধরনের মিছিলের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার পরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এসএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন, ‘পুলিশ কোনোভাবেই নিষ্ক্রিয় নয়। নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা হঠাৎ ঝটিকা মিছিল করে দ্রুত সরে যায়। তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে। শুক্রবারের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাতেও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
এ ঘটনার পর নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা ও তা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত অনেক আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী এখনও প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন। তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে পুলিশের কথিত নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন।
ছাত্রদলের নেতারা জানান, শুক্রবার ভোরে নগরের টিবি গেইট এলাকায় ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে নবাবরোড, কাজিটুলাসহ কয়েকটি এলাকাতেও একই ধরনের মিছিলের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার পরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এসএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম বলেন, "পুলিশ কোনোভাবেই নিষ্ক্রিয় নয়। নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা হঠাৎ ঝটিকা মিছিল করে দ্রুত সরে যায়। তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে। শুক্রবারের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাতেও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।"
এ ঘটনার পর নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা ও তা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




