ছবি:সংগৃহীত
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টায় কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের ইউটিডিসি হলরুমে উপজেলা ও পৌর কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এক অনন্য উদাহরণ। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশ গড়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বৈষম্যহীন ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অসাম্প্রদায়িক চেতনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার আহ্বায়ক সূদীপ রঞ্জন সেন। প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী।
উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক শ্যামল কুমার দাসের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সদস্য সচিব প্রতাপ চন্দ্র দাস (প্রতাপ দাস) ও পৌর সদস্য সচিব রঞ্জু দাসের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কানু মোদী মাস্টার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুবুর রব ফয়সল, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস, কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাজ উদ্দিন সাজু, পৌর বিএনপির সভাপতি নূরুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলমাছ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু নারায়ণ পুরকায়স্থ ফনি ও বাবু প্রাণেশ দেব।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মনি মোহন দাস গৌরাঙ্গের পরিচালনায় পবিত্র গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বক্তব্য দেন সুজন রাম দাস, গৌরাঙ্গ দাস, বিধান চৌধুরী, বিকাশ দাস, বিশ্বজিৎ রায় ও পিজোস রেমা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নবগঠিত উপজেলা ও পৌর কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ঐক্য সুদৃঢ় করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। নবীন ও প্রবীণ নেতাকর্মীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অভিষেক অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




