ছবি:সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক সানোয়ার হাসান সুনুকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব। একই সঙ্গে এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসক্লাবের নেতারা।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।
প্রেসক্লাবের সভাপতি তাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হাসান সুনুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত দেব, ক্রীড়া সম্পাদক হুমায়ুন কবির, অফিস সম্পাদক গোলাম সারোয়ার, কার্যনির্বাহী সদস্য গোবিন্দ দেব, জুয়েল আহমেদ, এস এম ফরিদ ও প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুর রহমান জিলু।
এছাড়া সভায় উপস্থিত থেকে নিন্দা জানান সহসভাপতি আব্দুল হাই, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমিনুল হক সিপন, কার্যনির্বাহী সদস্য আলী আহমদ ও হিফজুর রহমান জিয়া এবং সদস্য অরূপ সরকার, শাহ এস এম ফরিদ, মুকিম আহমদ, বিপ্লব দেব নাথ, রেজুওয়ান কোরেশী, মাসুম আহমেদ, ইকবাল হোসাইন, সুমিত রায়, আল আমিন ইসলাম, দুলন মিয়া ও রুম্মান মিয়া।
সভায় বক্তারা বলেন, সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত সানোয়ার হাসান সুনুর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ, মানহানিকর বক্তব্য এবং তাঁর পরিবারকে জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মতপার্থক্য থাকলেও তা প্রকাশে শালীনতা, আইন ও সামাজিক মূল্যবোধ বজায় রাখা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।
সভায় জানানো হয়, গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত প্রায় ১২টার দিকে জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামীম আহমেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব, এর সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হাসান সুনু, তাঁর প্রয়াত পিতা-মাতা এবং জগন্নাথপুর গ্রামবাসীকে নিয়ে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করেন।
এ ঘটনায় জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
সভায় সাংবাদিকরা বলেন, সংবাদকর্মীরা সমাজের স্বার্থে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা পরিবারকে জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য শুধু একজন সাংবাদিকের নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের মর্যাদার ওপর আঘাত।
সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে নিন্দা ও প্রতিবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাংবাদিক সমাজ প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




