জগন্নাথপুরে অচলাবস্থায় পড়ে আছে কোটি টাকার কাঠামো
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০০ PM

টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট

জগন্নাথপুরে অচলাবস্থায় পড়ে আছে কোটি টাকার কাঠামো

রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৫/০৮/২০২৬ ০২:৫৯:৩৭ PM

জগন্নাথপুরে অচলাবস্থায় পড়ে আছে কোটি টাকার কাঠামো


কারিগরি শিক্ষার প্রসার, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং দেশের টেক্সটাইল শিল্পে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নির্মাণ করা হয়েছে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট। সরকারের অর্থায়নে নির্মিত প্রতিষ্ঠানটির ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফলে আধুনিক এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

ইন্সটিটিউট সূত্রে জানা যায়, কিছু আগে ভবন হস্তান্তর করা হয়েছে। জনবল নিয়োগ হওয়া শেষের দিকে, এটা চলমান আছে। এখনও পদ নির্ধারণ হয়নি। নির্ধারণ হলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদন পেয়েছে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ছাত্র ভর্তি হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে অনুমোদন হয়ে গেছে। এখনও অধিদফতর থেকে জনবলের চাহিদা দেয়া হয়নি।

মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ করে বছরের পর বছর ফেলে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভবনটি ব্যবহার না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ধুলাবালি জমেছে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবিষ্যতে অবকাঠামোর ক্ষতির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। টেক্সটাইল প্রযুক্তির ওপর হাতে-কলমে কারিগরি শিক্ষা প্রদানের মালামাল পড়ে আছে। দামি মালামালের ওপর ধুলোবালি জমে সেগুলো নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত। আসবাবপত্র সরবরাহ ও ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হলেও শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়ায় এটি চালু করা যাচ্ছে না। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার হাজারও শিক্ষার্থী।

এ ব্যাপারে টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটের দায়িত্বে থাকা প্রিন্সিপাল সোহরাব হোসেন বলেন, এটি চালু হলে সারা বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। এই প্রতিষ্ঠানে এখনও লোকবল নিয়োগ হয়নি। কিছু কাজ এখনও চলমান। কাজ শেষ হলে প্রতিষ্ঠানটি চালু হবে বলে আশা করছি।

জৈন্তাবার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ: