ছাতকে ছাত্রলীগের বি*রুদ্ধে হা*মলার অভিযোগ, টায়ার জ্বালি*য়ে সড়ক অ*বরোধ
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৯ PM

ছাতকে ছাত্রলীগের বি*রুদ্ধে হা*মলার অভিযোগ, টায়ার জ্বালি*য়ে সড়ক অ*বরোধ

মোশাররফ হোসেন, ছাতক প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৮/০৮/২০২৬ ০৮:৩২:১২ PM

ছাতকে ছাত্রলীগের বি*রুদ্ধে হা*মলার অভিযোগ, টায়ার জ্বালি*য়ে সড়ক অ*বরোধ

ছবি:সংগৃহীত


সুনামগঞ্জের ছাতকে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই কর্মীর ওপর হামলা এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, এর আগের দিন ছাত্রলীগের এক নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের নেতা মোজাহিদ আহমদ ও গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জলের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

ঘটনার প্রতিবাদে প্রথমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। পরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা বুড়াইয়া রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে পৃথক মিছিল বের করে ছাতক-সিলেট সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্রদলের বিক্ষোভে যোগ দেন। এ সময় তারা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

ছাত্রদল নেতা মাহবুব ও ইমন আহমদও হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দায়ী করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তবে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্ট কোনো নেতার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে হামলার অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জাহেদ আহমদের মালিকানাধীন মেসার্স আমিন ভ্যারাইটিজ স্টোরে অস্ত্র থাকার সন্দেহে রাতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে তল্লাশিতে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ