সিলেটের গোলাপগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৬৮৯ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মো. খোরশেদ আলম (৪৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে গোলাপগঞ্জ থানাধীন শ্রীরামপুর এলাকায় র্যাব-৯, সিলেটের প্রধান ফটকসংলগ্ন পাকা সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. খোরশেদ আলম সিলেটের জৈন্তাপুর থানার আসামপাড়া গুচ্ছগ্রাম এলাকার মো. তারা মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর যাবৎ তিনি জাফলং এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
র্যাব-৯ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল হেতিমগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় তারা জানতে পারে, জাফলং থেকে একটি ট্রাকে করে মাদকদ্রব্য নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি শ্রীরামপুর বাইপাস হয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছে। পরে র্যাব সদস্যরা শ্রীরামপুর এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করেন।
চেকপোস্টে হলুদ ও নীল রঙের একটি ট্রাককে থামার সংকেত দিলে চালক র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ট্রাক থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার হেফাজতে এসকাফ সিরাপ থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাকের বডির ফ্লোরে বিশেষ কায়দায় তৈরি করা চেম্বারের ভেতর থেকে ৬৮৯ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত খোরশেদ আলম জানান, তিনি সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসকাফ সিরাপ সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৯ এর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা তৎপরতা ও চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে তাকে এবং জব্দকৃত আলামত গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




