নিজস্ব
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ১ নং উমরপুর ইউনিয়নের হবশপুর গ্রামের সন্তান হুমায়ুন কবির আজ বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ও পররাষ্ট্রনীতির অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। দীর্ঘ প্রবাসজীবন, উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজের অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে উঠে এসেছেন। বর্তমানে হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
হুমায়ুন কবিরের জন্ম সিলেটের ওসমানীনগরের হবশপুর গ্রাম তার পিতার নাম আলহাজ্ব মো. ফিরোজ মিয়া। পারিবারিক জীবনে হুমায়ুন কবির বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে ।
প্রবাস জীবন ও উচ্চশিক্ষা হুমায়ুন কবিরের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে যুক্তরাজ্যে। প্রবাসে অবস্থানকালে তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাগত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনীতি, ব্যবস্থাপনা ও আইন বিষয়ে তাঁর শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।
পরবর্তীতে ২২ অক্টোবর ২০২৫ তাঁকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ২০২৬ সালে চীনে বিএনপি ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরেও তিনি বিএনপির পক্ষে স্বাক্ষর করেন। রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নতুন অধ্যায়
২০২৬ সালে হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আসেন। এরপর থেকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
চীন, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে তাঁর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পেয়েছে। দেশ ও প্রবাসের সেতুবন্ধনে একজন ওসমানীনগরের সন্তান হুমায়ূন কবির।
প্রবাসে দীর্ঘ সময় কাটানোর অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা হুমায়ুন কবিরের রাজনৈতিক পরিচয়কে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। সিলেটের ওসমানীনগরের একটি গ্রামের সন্তান হিসেবে তাঁর জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ
রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আসা স্থানীয় মানুষের মধ্যে আগ্রহ ও গৌরবে বিষয় হয়ে উঠেছে।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




