আবারও কাঁচা মরিচে আগুন
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩২ AM

আবারও কাঁচা মরিচে আগুন

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫/০৭/২০২৩ ১২:০৪:৩৬ PM

আবারও কাঁচা মরিচে আগুন

ছবি সংগৃহীত


কাঁচা মরিচের ঝাঁজে দিশেহারা জনগণকে স্বস্তি দিতে ভারত থেকে আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পাশাপাশি বাজারে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। যে কারণে কমেছিল পণ্যটির দাম। কিন্তু হঠাৎ করেই আবারও কাঁচা মরিচের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এক রাতের ব্যবধানে কেজিতে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে ২২০ থেকে ২৮০ টাকা। 

বুধবার (৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম হাঁকাচ্ছেন ১২০ টাকা। সে হিসেবে এক কেজি কাঁচা মরিচের দাম পড়ে ৪৮০ টাকা। অথচ সোমবার ও মঙ্গলবার কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি। 

রামপুরা বাজারের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি করেছি। দাম বাড়বে জানলে তো গতকাল সস্তায় বিক্রি করতাম না। আজকে ডাবল লাভ করতে পারতাম।

তিনি বলেন, কাঁচাবাজারের কোনো মা-বাপ নাই, সকালে একদর, বিকেলে আরেক দর। আজকে কারওয়ান (পাইকারি) বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। আমাদের তো লাভ নেই। বরং গতকাল দুই বস্তা এনেছিলাম, আজকে দাম বাড়ায় এক বস্তা এনেছি।

দাম বৃদ্ধির কারণে জানতে চাইলে রামপুরা বাজারে ব্যবসায়ীর মতো একই সুরে কথা বলেন মধ্য বাড্ডার পাঁচতলা বাজারের ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান সুমন। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, মরিচের বাজার আগুন। গতকাল (৪ জুলাই) এক পাল্লা (৫ কেজি) মরিচ এনেছি ১১০০ টাকা দিয়ে। আজকে এনেছি ২৩০০ টাকা পাল্লা। এবার বলুন, আমি কী করব?

তিনি বলেন, শুনলাম ভারত থেকে মরিচ আমদানি হচ্ছে। এই খবরে দাম কমে গেল অর্ধেক, আজকে আবার বাড়ল, বাজারে যে কী হচ্ছে তা বলতে পারছি না।

বাজারটিতে আসা ক্রেতা হাসান পাটোয়ারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, পেঁয়াজের পর কাঁচা মরিচকে নিয়ে একটা তামাশা চলছে। তা না হলে একদিনের ব্যবধানে মরিচের দাম কেমনে ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা হয়। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছে। যারা বাজারকে অস্থিতিশীল করছে, ভোক্তা অধিকার ও সরকারের পক্ষ থেকে এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী ফুয়াদ হোসেন টিটো বলেন, বাজারে মরিচের সংকট। অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে বাজারে মরিচের সরবরাহ কম। তাই দাম বাড়তি। তিনি বলেন, ভারত থেকেও আমরা যে পরিমাণ মরিচ আসবে বলে আশা করছিলাম, সে পরিমাণ মরিচ আসেনি। সব মিলিয়ে চাহিদার তুলনায় মরিচের আমদানি কম বাজারে, তাই দামও বেশি।

এর আগে ভারতের মরিচ আসায় গত ৩ জুলাই রাজধানীর বাজারে মরিচের দাম এক লাফে কেজিতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমে যায়। তবে তার আগের দিন ২ জুলাই ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও  হাজার টাকা কেজিতে কাঁচা মরিচ বিক্রির খবর পাওয়া যায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়।

জৈন্তাবার্তা/এমকে



শীর্ষ সংবাদ:

নবীগঞ্জে রাস্তা বন্ধ করে ৬ পরিবারকে অ*বরুদ্ধ করে রাখার অ*ভিযোগ
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করছে
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের শক্তিশালী করলেই বাড়বে অর্থনৈতিক প্রবাহ’- মন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির
‘স্বচ্ছতার বিষয়ে তিনি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন’- মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
‘মানসম্মত শিক্ষা ছাড়া প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা সম্ভব নয়’- সিসিক প্রশাসক
গোয়াইনঘাট প্রত্যাশা কিন্ডারগার্টেনে ওয়ার্ল্ড ভিশনের ওয়াশ বিষয়ক সচেতনতা সভা
হবিগঞ্জে ঝুঁ'কিপূর্ণ ভবনের তালিকা চাইলেন আদালত
সিলেটে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আ'শঙ্কা
নিজেকে প্রমাণ করলেন রোনালদো
শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ ও দানবাক্সের টাকা জমা হলো ব্যাংকে