বিয়ানীবাজারের মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমান উদ্দিনকে অপসারণ
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:১৪ PM

চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন

বিয়ানীবাজারের মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমান উদ্দিনকে অপসারণ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১/১০/২০২৫ ১২:৩০:১৯ AM

বিয়ানীবাজারের মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমান উদ্দিনকে অপসারণ

ছবি:সংগৃহীত


সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমান উদ্দিনকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ এবং চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ইউপি-১ শাখা থেকে প্রেরিত ২০ অক্টোবরের এক স্মারক অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মস্তফা মুন্না এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।

মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী অপসারণ

মন্ত্রণালয়ের স্মারকে বলা হয়েছে,‘জনস্বার্থে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ এর ৩৪(৪)(ক) ও (ঘ) ধারায় অপরাধ করায় একই আইনের ৩৪(৬) ধারা মোতাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমান উদ্দিনকে স্বীয় পদ থেকে অপসারণ করা হলো।’

এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মস্তফা মুন্না মন্ত্রণালয়ের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন-২০০৯ এর ৩৫(১) ও (২) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করেন।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়-

‘সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার ৭নং মাথিউরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আমান উদ্দিন, পিতা আব্দুল কাইয়ুম, মিনারাই, মাথিউরা ইউনিয়ন, বিয়ানীবাজার, সিলেট—এর পদটি এতদ্বারা শূন্য ঘোষণা করা হলো।’

বরখাস্ত থেকে অপসারণ পর্যন্ত প্রেক্ষাপট

এর আগে চলতি বছরের ১৯ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চেয়ারম্যান আমান উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
উল্লেখ্য, তিনি তারেক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পাওয়ার পর গত ৩০ জুন সিলেট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন আবেদন করেন; তবে আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চূড়ান্তভাবে চেয়ারম্যান আমান উদ্দিনকে পদ থেকে অপসারণ করে তাঁর পদ শূন্য ঘোষণা করেছে।

Jainta Barta/Wadud