ছবি:সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী অবশেষে সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ-জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাট) আসনের প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামলেন। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তিনি মায়ের দোয়া নিয়ে সিলেটে ফিরে দলীয় মনোনয়ন গ্রহণ করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন আরিফুল হক চৌধুরী। বিমানবন্দরে পৌঁছাতেই নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের ঢল নামে। স্লোগান ধ্বনিতে মুখরিত হয় এলাকা।
বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তিনি যান কুমারপাড়ার নিজ বাসভবনে, সেখানে বৃদ্ধ মায়ের কাছ থেকে দোয়া নেন। এরপর রাতেই বেরিয়ে পড়েন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও সিনিয়র নেতাদের বাসায়।
আরিফুল হক চৌধুরী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
‘আমার নেতা-নেত্রীর আস্থা ও সিলেটবাসীর ভালোবাসা নিয়েই এবার আমি মাঠে নামছি। কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরবাসীকে সালাম জানাই-তাদের সহযোগিতায় ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে সোমবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সারাদেশের ২৩৮ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, যেখানে আরিফুল হকের নাম ছিল না। তিনি তখন সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলের হাইকম্যান্ড তাকে পরে সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়, যা দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে বড় এক চমক হিসেবে আসে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে উত্থান-পতনের নানা অধ্যায় পেরিয়ে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছেন আরিফুল হক চৌধুরী। ১৯৫৯ সালে সিলেটের কুমারপাড়ায় জন্ম নেওয়া আরিফুল হক ২০১৩ সালে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন এবং ২০১৮ সালে পুনরায় জয়লাভ করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একাধারে দৃঢ়চেতা নেতা, আবার মাঠের মানুষের প্রিয় মুখ। এবার নতুন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কতটা সাফল্য অর্জন করতে পারেন-সেটিই এখন সিলেটের রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




