ছবি:সংগৃহীত
সিলেটে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মুদি দোকান, কাঁচাবাজার (মাছ-মাংস-সবজি) এবং দরগাহ বাজার এলাকার দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি ও রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখা এবং সিলেট জেলা-মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় তারা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম-এর হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমানে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় ফার্মেসি, রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল ও মিষ্টির দোকান ছাড়া সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত সাড়ে ৯টার পর বন্ধ রাখা হচ্ছে। এতে সিলেটে আগত পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা গুরুতর ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ জানান, মার্কেট বন্ধ হওয়ার পর অনেক ব্যবসায়ী ও কর্মচারী নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার করে বাসায় ফেরেন। কিন্তু রাত সাড়ে ৯টায় মুদি দোকান ও কাঁচাবাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারেন না। বিশেষ করে শিশুপণ্য রাতের প্রয়োজন হলেও পাওয়া যায় না, ফলে পরিবারের শিশুরা কষ্টে রাত কাটায়।
সিলেট একটি পর্যটননগরী উল্লেখ করে বলা হয়, প্রতিদিন হাজারো পর্যটক সিলেটে আসেন। সারাদিন ভ্রমণ শেষে তারা রাতে হোটেলের আশপাশে কেনাকাটা করেন। বিশেষত হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ এলাকা পর্যটকদের প্রধান গন্তব্য। কিন্তু রাত সাড়ে ৯টার পর দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেলে পর্যটকেরা কেনাকাটা করতে না পেরে হতাশ হন। এতে সিলেটের পর্যটন অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ব্যবসায়ী নেতারা তাই রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান, কাঁচাবাজার ও দরগাহ এলাকার দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি এবং রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, মহানগর ব্যবসায়ী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী পাভেল, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সহসভাপতি লুৎফুর রহমান লিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়াজ মো. আজিজুল করিম, নয়াসড়ক বিজনেস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসেন আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমদ, কালিঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাহিদ উদ্দিন, ওয়েস্ট ওয়ার্ল্ড মার্কেটের সভাপতি শুয়েভ আহমদ অভি, ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান চৌধুরী প্রমুখ।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




