ছবি:সংগৃহীত
বিয়ানীবাজারে একটি আইফোনের লোভে বন্ধুর হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া যুবক ইমন আহমদ হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয়েছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। শুক্রবার বিয়ানীবাজার-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বৈরাগীবাজারের আব্দুল্লাহপুর ত্রিমোহনীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি আইফোনের লোভে পরিকল্পিতভাবে ইমনকে হত্যা করা হয়েছে, যা কোনোক্রমেই মেনে নেওয়া যায় না এবং তদন্তে যথাযথ ফোকাস থাকতে হবে। তারা ঘটনার মূল হোতা ও সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
স্থানীয়রা জানান, লাশ উদ্ধারকালে ইমনের হাত ও পা নতুন একটি দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল, যা থেকে স্পষ্ট হয় হত্যাকাণ্ডটি এককভাবে করা হয়নি বলে ধারণা তৈরি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ইমন আহমদ বিয়ানীবাজারের শেওলা ইউনিয়নের কোনা শালেস্বর এলাকার নিখোঁজের একপর্যায়ে নিহত যুবক। তিনি কুড়ারবাজার ইউনিয়নের খশির নামনগর গ্রামের মৃত আব্দুল মতলিবের কনিষ্ঠ পুত্র। গত ৭ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যায় তিনি নিখোঁজ হন এবং পরবর্তীতে ১০ ডিসেম্বর সকালে একটি ডোবায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিয়ানীবাজার থানা পুলিশের কাছে নিহতের ভাই জাবেদ আহমদ হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে আসামি হিসেবে আশরাফুল করিম ও সাজিদুল ইসলাম মুন্নাসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে করা হয়েছে। আশরাফুল করিমকে গ্রেপ্তার করা হলেও সাজিদুল ইসলাম মুন্না পলাতক রয়েছেন।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আশরাফুল করিম হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন এবং জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং তদন্ত চালানো হচ্ছে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




