মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়া একই সূত্রে গাঁথা - খন্দকার মুক্তাদির
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০১:৪১ PM

মহান বিজয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়া একই সূত্রে গাঁথা - খন্দকার মুক্তাদির

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬/১২/২০২৫ ০৭:০৫:০৮ PM

মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ জিয়া একই সূত্রে গাঁথা - খন্দকার মুক্তাদির

ছবি:সংগৃহীত


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকালে সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একই সূত্রে গাঁথা।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহানগর ও সদর বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা ঘুমন্ত নিরীহ মানুষের ওপর গণহত্যা চালানোর পর তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান দীপ্ত কণ্ঠে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দেওয়া সেই ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত ও বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে একজন সাহসী সেনানায়ক হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমান যে দেশপ্রেম ও নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা ছাড়া স্বাধীনতার ইতিহাস পূর্ণতা পায় না।

তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির শ্রেষ্ঠ সেনানায়ক জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী যে সশস্ত্র সংগ্রাম গড়ে তুলেছিল, তার কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও সামরিক শৃঙ্খলাই বিজয়কে ত্বরান্বিত করে। এই দুই মহান নেতার অবদান ইতিহাসের পাতায় চির অম্লান হয়ে থাকবে।

খন্দকার মুক্তাদির বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর তা রক্ষা করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আপোষহীন ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বেই স্বাধীনতার চেতনা বারবার পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গঠন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন নতুন প্রজন্মের কাঁধে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতীক। তার রাষ্ট্র সংস্কারের দর্শন ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে আধুনিক বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার পথ দেখাচ্ছে।

বিজয় দিবসে অঙ্গীকারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করব এবং একটি গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, বদরুদ্দোজা বদর, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহ্বায়ক শহীদ আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, তারেক আহমদ খান, লুতফুর রহমান মোহন, জাকির মজুমদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ