ছবি:সংগৃহীত
দলের আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল হাকিম চৌধুরীকে সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর-কোম্পানীগঞ্জ-গোয়াইনঘাট) আসনের বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।
সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দানের শেষ দিনে আব্দুল হাকিম চৌধুরীকে সাথে নিয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সারওয়ার আলমের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন আরিফুল হক।
এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যন আব্দুল হাকিম চৌধুরী। তবে সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা আরিফুল হক চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। তবে প্রথম দিনে এর বিরোধীতা করেন হাকিম অনুসারীরা। আরিফকে বহিরাগত আখ্যা দিয়ে সিলেট-৪ আসনে স্থানীয় কাউকে প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানান তারা। শেষদিকে এসে অবশ্য আরিফের সাথে একাত্মততা ঘোষণা করেন হাকিম। রোববার মনোনয়নপত্র জমাদানকালেও আরিফের সাথে ছিলেন তিনি।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মানুষ ১৭ বছরে নির্বাচনের পরিবেশ ভুলে গিয়েছিলো। আবার নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে এসেছে। মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
সব ঠিক থাকলে নির্বাচন সুন্দরভাবে হবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার বইছে। মানুষ বিএনপিকে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছে। ১২ ফেব্রæয়ারি তার প্রমাণ পাওয়া
নিজের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় শঙ্কা তো আছেই। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখবেন। আশা করছি তারা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
নিজের নির্বাচনী আসনের দূর্গম এলাকার ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের নিরাপদ বাংলাদেশ, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কথা উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট ৪ আসনে এক ভোট কেন্দ্র থেকে অন্য কেন্দ্রের দুরত্ব অনেক বেশি। যাতে আমার বিশাল নির্বাচনী এলাকার বয়:বৃদ্ধ নারী-পুরুষ সহজে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নিরাপদে ভোট দিয়ে চলে যেতে পারেন সেই ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব। কারন দুর্গম এলাকায় রাস্তাঘাট বা যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রধান বাধা। সেই বাধা বাস্তবিক বিবেচনায় লাঘব না করলে ভোট গ্রহন অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির ঋণ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, গোয়াইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুস শুকুর, সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, এডভোকেট নুরুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ, সিলেট জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক স্টালিন তারিয়ান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সামাদ তোহেল।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




