সাদাপাথরে প্রশাসনের জ*ব্দ করা পাথর আবারও লু*টপাটের অভি*যোগ
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০১:০৩ AM

সাদাপাথরে প্রশাসনের জ*ব্দ করা পাথর আবারও লু*টপাটের অভি*যোগ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২/০১/২০২৬ ১০:৩০:৫১ PM

সাদাপাথরে প্রশাসনের জ*ব্দ করা পাথর আবারও লু*টপাটের অভি*যোগ

ফাইল ছবি


সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথরে প্রশাসনের জব্দ করা পাথর আবারও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন কলাবাড়ি গ্রামের মইন উদ্দিন মিলন।

৩১ ডিসেম্বর সাদাপাথর চুরির ঘটনা নিয়ে স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর শুক্রবার সকালে টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সাদাপাথর ভাঙার দায়ে একটি ক্রাশার মিল ধ্বংস করা হলেও জব্দ করা পাথর লুটপাটের মূল হোতা হিসেবে অভিযুক্ত মইন উদ্দিন মিলন ও তার সিন্ডিকেট এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রকাশ্যে লুটপাট

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মইন উদ্দিন মিলনের নেতৃত্বে জব্দ করা সাদাপাথর ধলাই নদী থেকে নৌকায় করে চুরি করা হচ্ছে। এসব পাথর দয়ার বাজার এলাকার নদীর তীরে মজুদ করে পরে ট্রাক্টরের মাধ্যমে কলাবাড়ির বিভিন্ন ক্রাশার মিলে সরবরাহ করা হয়। সেখানে পাথর ক্রাশিং করে বিক্রি করা হচ্ছে।

এছাড়াও প্রতিদিন ধলাই সেতুর নিচ থেকে অর্ধশতাধিক ট্রাক্টরে বালু উত্তোলন করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করছে মিলন সিন্ডিকেট। এতে জাতীয় সম্পদ ধলাই সেতুর পিলার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ভাইরাল ভিডিও, তবুও রহস্যজনক নীরবতা

ইতোমধ্যে মইন উদ্দিন মিলনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সাদাপাথর জব্দ করার পর মিলন লাইভে এসে বলছেন-‘সব পাথর পুলিশ নিয়ে গেছে, একটাও রেখে যায়নি।’ অথচ স্থানীয়দের দাবি, সেই জব্দ পাথরই এখন আবার লুট হচ্ছে।

গত বছরের আগস্ট মাসে সাদাপাথর লুটপাটে জড়িত অনেকেই আইনের আওতায় এলেও মইন উদ্দিন মিলন এখনো অধরা। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে মইন উদ্দিন মিলনের দাবি , ‘ভিডিওটি আগের।’ 

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান বলেন,‘অবৈধভাবে বালু ও পাথর চুরির সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিন মিয়া জানান,‘যার ক্রাশার মিলে অবৈধ পাথর পাওয়া যাবে, তার মিলেই অভিযান চালানো হবে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ