চাকসু মামুনের সম্পদ ১ কোটি ২২ লাখ টাকার , ব্যাংক ঋণ ৪৩ কোটি
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ১২:০৮ AM

প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ

চাকসু মামুনের সম্পদ ১ কোটি ২২ লাখ টাকার , ব্যাংক ঋণ ৪৩ কোটি

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩/০১/২০২৬ ০১:২০:৪৯ AM

চাকসু মামুনের সম্পদ ১ কোটি ২২ লাখ টাকার , ব্যাংক ঋণ ৪৩ কোটি

ছবি:সংগৃহীত


জৈন্তাবার্তা ডেস্ক সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদ। সিলেটে তিনি ‘চাকসু মামুন’ নামেও বেশ পরিচিত। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপি থেকে পদ হারিয়ে বর্তমানে বেশ আলোচিত চাকসু মামুন। বিএনপির পদ হারানো এই নেতার কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৪ টাকার। অথচ তার ব্যাংক ঋণ রয়েছে ৪৩ কোটি টাকারও বেশি। বছরে ৫ লাখ টাকা আয় করা মামুনের স্ত্রীরও কোনো সম্পদ নেই। তার নির্বাচনী হলফনামা ঘেঁটে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ৬০ বছর বয়সী মামুনুর রশিদ তার নোটারি করা হলফনামা জমা দিয়েছেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে। হলফনামায় তিনি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-র কাছে ৪৩ কোটি ৬৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৯ টাকা ঋণের কথা উল্লেখ করেছেন। এই ঋণটি তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তবে হলফনামায় ঋণ পুনঃতফসিল বা বকেয়া পরিশোধের কোনো উল্লেখ নেই এবং ব্যক্তিগত ঋণের ঘরগুলোও শূন্য রাখা হয়েছে। হলফনামায় মামুনের বার্ষিক আয় ‘অন্যান্য উৎস’ থেকে ৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৪ টাকা। যা তার ঋণের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। সেটি এখনও বিচারাধীন। চাকসু মামুন দীর্ঘদিন ধরে সিলেট-৫ আসনে নির্বাচনের জন্য কাজ করে আসছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অতীতের ধারাবাহিকতায় বিএনপি সিলেট-৫ আসনটি তাদের জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মামুনুর রশিদ দলীয় মনোনয়ন পাননি। কিন্তু দলের সিদ্ধান্ত না মেনেই নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। পরে গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কার করেন।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ